১৭ মার্চ বাণিজ্য মেলা হচ্ছে না

মহামারি করোনার কারণে আগামী ১৭ মার্চ বাণিজ্য মেলা শুরু হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘আমরা মেলার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম; কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটাকে একটু স্লো করার জন্য। আশা করি এ বছর একটা সময়ে আমরা মেলাটা করতে পারব।’

গতকাল রবিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। বাণিজ্যসচিব জাফর উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এক্সিবিশন সেন্টারটি আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর কাছে হস্তান্তর করা হয়। চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ভার্চুয়ালি এক্সিবিশন সেন্টারটি হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ এক্সিবিশন সেন্টারের মাধ্যমে দেশে উত্পাদিত পণ্যের সঙ্গে বিদেশি ক্রেতা ও উত্পাদকদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। উল্লেখ্য, রাজধানীর পূর্বাচলে ২০ একর জমির ওপর ২০১৭ সালে এক্সিবিশন সেন্টারটির অবকাঠামো নির্মাণ শুরু করে চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। এর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা। এরমধ্যে চীন সরকার অনুদান হিসেবে দিয়েছে ৫২০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে ২৩১ কোটি টাকা। বাকি ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকা ইপিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হয়েছে। 

এক্সিবিশন সেন্টারটির মোট ফ্লোর স্পেস ৩৩ হাজার বর্গমিটার। এক্সিবিশন হলের মোট আয়তন ১৫ হাজার ৪১৮ বর্গমিটার। দোতলা পার্কিং ভবনে ৭ হাজার ৯১২ বর্গমিটার জায়গায় ৫০০ গাড়ি রাখা যাবে। এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনে খোলা জায়গায় পার্ক করা যাবে আরো ১ হাজার গাড়ি। এক্সিবিশন হলে ৮০০টি স্টল বুথ রয়েছে। এছাড়া এক্সিবিশন সেন্টারটিতে ৪৭৩ আসনবিশিষ্ট একটি মালটি ফাংশনাল হল, ৫০ আসনবিশিষ্ট একটি কনফারেন্স রুম, ছয়টি মিটিং রুম, অটোমেটেড সেন্ট্রাল এসি সিস্টেম, ইন্টারনেট/ওয়াইফাই, আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।