চট্টগ্রাম বন্দরের জিসিবি (জেনারেল কার্গো বার্থ) এলাকায় ছয়টি কনটেইনার হ্যান্ডলিং বার্থের টেন্ডারে সাতটি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। জানা যায়, বন্দরের সিসিটি এবং এনসিটি টার্মিনাল অপারেটর সাইফ পাওয়ার টেক এবার নতুন করে বার্থ অপারেটর নিয়োগের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করেছে।
দুই খাম পদ্ধতির উক্ত টেন্ডারে কারিগরিভাবে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অফার খোলা হবে। ঐ বার্থসমূহে যে প্রতিষ্ঠান কম ধরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং করতে পারবে সে প্রতিষ্ঠানই নির্দিষ্ট বার্থ পরিচালনার দায়িত্ব পাবে। বন্দর কর্তৃক আহ্বান করা টেন্ডারের শর্তানুযায়ী প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান দুটি বার্থে কাজ করার জন্য টেন্ডার প্রদান করতে পারবে। সে পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান দুটি বার্থের জন্য টেন্ডার প্রদান করেছে। এক্ষেত্রে দেখা যায়, ছয়টি বার্থের মধ্যে চারটি বার্থে দুটি করে টেন্ডার জমা পড়লেও দুটি বার্থে তিনটি করে টেন্ডার জমা পড়েছে। বন্দরের কনটেইনার বার্থের মধ্যে ৬, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ নম্বর বার্থের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়। এসবের মধ্যে ৬ নম্বর এবং ১২ নম্বর বার্থের ক্ষেত্রে তিনটি করে টেন্ডার জমা পড়েছে। এই দুটি বার্থে এবার নতুন করে সাইফ পাওয়ার টেক প্রতিষ্ঠান টেন্ডার দিয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, বন্দরের ছয়টি কনটেইনার বার্থের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে আবু শরীফের মালিকানাধীন এফকিউ খান অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড। বার্থ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফজলে একরাম চৌধুরীর মালিকানাধীন ফজলী সন্স লিমিটেড। সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন বশির আহমেদ অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড। নোয়াখালীর সংসদ সদস্য একরাম চৌধুরীর পরিবারের মালিকানাধীন এঅ্যান্ডজে ট্রেডার্স। আ জ ম নাছির উদ্দীনের মালিকানাধীন এম এইচ চৌধুরী লিমিটেড। জামাল উদ্দিনসহ অন্যদের মালিকানাধীন এভারেস্ট পোর্ট সার্ভিস লিমিটেড এবং তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিনের মালিকানাধীন সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেড।