আবাহনী ও শেখ জামাল ২-২ ড্র
স্পোর্টস রিপোর্টার
আবাহনী ও শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের লড়াইটা দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। শেখ জামাল টানা জয়ের পথে আর আবাহনী দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট হারিয়েছে। উত্তেজনাপূর্ণ এ দুই দলের লড়াইটা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে এবং মাঠের বাইরেও উত্তাপ ছড়িয়েছে। ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে আবাহনীর জুয়েল রানা এবং শেখ জামালের অধিনায়ক গাম্বিয়ান স্ট্রাইকার সলোমন কিং কনফর্ম লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়েন ৩৮ মিনিটে। ১-১ গোলে ড্র চলছিল।
ফুটবল মাঠে মারামারি হওয়াটা কেউ পছন্দ করে না। তার পরও মারামারি না হলে এখনকার ফুটবল যেন বড্ড বেশি বেমানান মনে হয়। সংবাদকর্মীরা মাঠের মারামারির প্রতি বাড়তি মনোযোগ দেন। কাল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বিকালের ম্যাচে মারামারি গ্যালারিতেও উত্তেজনা ছড়িয়েছে খানিকটা সময়। শেখ জামালের গাম্বিয়ান সুলায়মান সিল্লাহকে কাঠ ছুড়ে মারা হয়। আবাহনীর সমর্থকেরা আবাহনীর খেলোয়াড়দের গালমন্দ করেন গোল করতে না পারার জন্য। রেফারি নয়ন খেলা শেষ করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ঘিরে ধরেছিলেন আবাহনীর আফগান ফুটবলারসহ অন্যরা। পুলিশ এগিয়ে এসে রেফারি ও তার স্টাফদের ড্রেসিং রুমে পৌঁছে দেন।
সাত খেলায় আবাহনীর চার জয়। তিন ড্রয়ের কারণে ৬ পয়েন্ট হারিয়েছে। শিরোপার দৌড়ে এটা অনেক বড় ক্ষতি। চ্যাম্পিয়ন হতে হলে ৬ পয়েন্টের ক্ষতিটা পূরণ করা সহজ হবে না, যদি বসুন্ধরা কিংস পয়েন্ট নষ্ট না করে। বসুন্ধরা কিংস যারা এখনো হারেনি, ড্রও করেনি। তারা শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব টানা জিতে আসছিল। গতকালই প্রথম ড্রয়ের মুখ দেখল। ছয় খেলায় ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে শেখ জামাল। আবাহনী দুবার এগিয়ে থাকলেও শেখ জামাল ভালো খেলেছে। সুযোগও আদায় করেছিল। ১১ মিনিটে বেলফোর্ট আবাহনীকে এগিয়ে দেন ১-০। ১৯ মিনিটে সলোমন কিং কনফর্ম সমতা আনেন ১-১। দ্বিতীয়ার্ধে নেমেই প্রথম আক্রমণে ব্রাজিলিয়ান ফ্রান্সিকো আবার এগিয়ে দেন ২-১। ৭২ মিনিটে ওমর জোবে মাসিহ সাইঘানিকে ফাঁকি দিয়ে গোল করেন ২-২। এর পরও দুবার সুযোগ নষ্ট হয়েছে জামালের। আজ ও কাল খেলা নেই।