মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানি নিয়মিত হয়ে উঠেছে। বাইকারদের মধ্যে অধিকাংশই তরুণ। এরা খেয়ালখুশিমতো মোটরসাইকেল চালিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। উচ্চ গতি, ঘন ঘন লেন পরিবর্তন, ওভারটেকিং প্রবণতা, হেলমেটবিহীন বাইক চালানো, দ্রুত যাওয়ার চেষ্টা, ট্রাফিক আইন অমান্যসহ নানান খামখেয়ালি—ফল প্রাণহানি। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের ৩০ ভাগই মোটরসাইকেল আরোহী। বুয়েটের সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৫৫৮ জনের মধ্যে শুধু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ১০৯৭ জন। চলতি বছরের প্রথম মাসে সারা দেশে ১৫৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ১৬৮ জন মারা গেছেন, যা মোট নিহতের ৩৪ শতাংশ।
বিআরটিএ-র তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে ৩১ লাখ মোটরসাইকেল থাকলেও লাইসেন্স আছে মাত্র ১৮ লাখ। লাইসেন্স বিহীন মোটরসাইকেল চলাচল রোধে আইনের যথাযথ প্রয়োগের ঘাটতিও বেশ চোখে পড়ার মতো। এছাড়া চালকের অজ্ঞতা, অদক্ষতা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা দীর্ঘ হচ্ছে। মোটরসাইকেল চালকদের জন্য নেই আলাদা লেন। তাই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা কমাতে ব্যাপক সচেতনতামূলক বার্তা প্রদান, ট্রাফিক নিয়ম জেনে মোটরসাইকেল চালনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন জরুরি।
আরিফুল ইসলাম, শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বন্দর কলেজ