পরীক্ষাকেন্দ্র ও বিদ্যুত্ সরবরাহ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এলএলবি ১ম পার্টের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে বিদ্যুত্ বিভ্রাট ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখতে হয়েছে। করোনার কারণে ১ম পার্টের স্থগিত হওয়া শ্রম আইন আর রাজস্ব আইন বিষয়ের পরীক্ষা দুটি জানুয়ারি মাসের ২২ ও ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম আইন কলেজ, বঙ্গবন্ধু ল টেম্পল ও পটিয়া আইন কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ। দুই পরীক্ষার দিনই ছিল না নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ সরবরাহ। জেনারেটেরের সাহায্যে যে বাতি জ্বলছিল, তার আলোও ছিল অপর্যাপ্ত। একটি কক্ষে শতাধিক পরীক্ষার্থী একটিমাত্র বৈদ্যুতিক বাতির আলোতে পরীক্ষা দিয়েছে। শীতের ঘন কুয়াশায় মোড়ানো সকালে পরীক্ষার্থীরা আলোর সংকট নিয়েই দিয়েছে দুটি পরীক্ষা। পরিদর্শক আর কর্তৃপক্ষ বারবার স্বাস্থ্যসচেতনতার কথা মনে করিয়ে দিলেও পরীক্ষাকেন্দ্রের বেঞ্চগুলো ছিল ধুলাবালিময়। বসা আর খাতা রাখার জায়গা পরিষ্কার করতে অনেকে পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র-রেজিস্ট্রেশন কার্ড ব্যবহার করেছে। আলোক স্বল্পতা ও অপরিচ্ছন্নতার মধ্যেই তাদের দিতে হয়েছে পরীক্ষা। ভবিষ্যতে কোনো পরীক্ষার্থীকে যাতে এমন দুর্ভোগ পোহাতে না হয় এ ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। প্রত্যেকটি পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ সরবরাহ ও পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন।

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম আইন কলেজ