মঠবাড়িয়ায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. হানিফ খানসহ দুই জনকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষ। এ সময় উপজেলা যুবলীগের অফিস ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পরে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল সোহেল বাদী হয়ে ৬৭ নেতাকর্মীর নামে মামলা করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার ৯ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
এদিকে গতকাল হামলার প্রতিবাদে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল সোহেল স্থানীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী গ্রুপের সমর্থনপুষ্ট নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বর জানান, গত রবিবার স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনায় ছাত্রলীগের ১৭ নেতাকর্মীর নামে একটি মামলা করা হয়। ঐ ঘটনায় পুলিশ এক জনকে গ্রেফতার করে। এ নিয়ে বিবদমান দুই গ্রুপ সোমবার পালটাপালটি প্রতিবাদ সমাবেশ করে। এক পর্যায় দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে রাতে প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ হামলা চালিয়ে সভাপতি মো. হানিফ খানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এছাড়া পৃথক হামলায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী রানা আহত হয়। পরে হামলাকারীরা উপজেলা যুবলীগ অফিস ভাঙচুর করে।
পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফি উদ্দিন আহম্মেদ ফেরদৌস হামলার ঘটনার সঙ্গে তার সমর্থিত নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, রবিবারের একটি মারধরের ও থানায় মামলা দেওয়ার ঘটনায় সোমবার একই এলাকায় পাশাপাশি যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুটি আলাদা আলাদা প্রতিবাদ সভা চলছিল। এ সময় হঠাত্ করে উভয় গ্রুপের উত্তেজিত কিছু নেতাকর্মীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে যুবলীগ সভাপতি আহত হয়।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল হক জানান, দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় উপজেলা যুবলীগ সভাপতিসহ দুই জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।