পশ্চিমের জেলাগুলোতে এবার আলুর চাষ বেড়েছে। ফলন ভালো হচ্ছে। তবে দাম কমে যাওয়ায় কৃষকের উত্পাদন খরচ উঠছে না। আলুর দরপতন হয়েছে যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে। আলুতে লোকসান প্রায় প্রতি বছর হয়ে থাকে কমবেশি। আলুসহ সব কৃষিপণ্য উত্পাদনে কৃষি বিভাগ সারা দেশের বাত্সরিক কৃষিপণ্যের চাহিদা নিরূপণ করে পরিকল্পিতভাবে একটি গাইড লাইন তৈরি করে কৃষকদের মাঝে সরবরাহ করতে পারে। চাহিদা থেকে কিছুটা বেশি উত্পাদন হলেও ক্ষতি নেই। কিন্তু কম উত্পাদন হলে সমস্যা আছে। লোকসান প্রতিরোধে করোনা সংক্রমণে যেসব দেশে আলু উত্পাদন কম হয়েছে, সে দেশগুলোতে আলু রূপান্তির প্রচেষ্টা চালাতে হবে। গত বছর লকডাউনের সময় বিনামূল্যে বিশাল জনগোষ্ঠীকে খাদ্যপণ্যের সঙ্গে আলু সবজি ফলমূল সরবরাহ করায় আলুচাষিসহ সমস্ত চাষি বড় ধরনের লোকসানের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। দেশের সব কারাগার, সরকারি হাসপাতাল, প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিজিবি, র্যাবের ব্যারাক, পুলিশ লাইন, আনসার ক্যাম্প ইত্যাদিতে রান্না করা খাবারের সঙ্গে আলুর পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে আলুর ব্যবহার বেড়ে বাজারে মৌসুমি সরবরাহের চাপ কমে গেলে কৃষকদের লোকসানের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
আব্বাস উদ্দিন আহমদ
ধোপাদিঘির দক্ষিণ পাড়, সিলেট ৩১০০