জাতীয় পতাকা অবমাননার ঘটনায় ১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক চত্বরে মহান বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকা অবমাননার ঘটনায় দেশ ও জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন ১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৭৫তম বিশেষ সভায় এ ঘটনার জন্য ওই শিক্ষক-কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কাছে তাদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারা প্রত্যেকে ক্ষমা চেয়ে উপাচার্যের কাছে লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন।

বক্তব্য প্রদানকারী শিক্ষক-কর্মকর্তারা হলেন : বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আর এম হাফিজুর রহমান, অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোরশেদ হোসেন, বাংলা বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. পরিমল চন্দ্র বর্মণ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. নুর আলম সিদ্দিক, পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাহজামান, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড.  রশীদুল ইসলাম, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক তাবিউর রহমান প্রধান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড.  কামরুজ্জামান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রধান ছদরুল ইসলাম সরকার, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক প্রদীপ কুমার সরকার, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক চালর্স ডারউইন, মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাসুদ-উল-হাসান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাম প্রসাদ বর্মণ, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শামীম হোসেন, রসায়ন বিভাগের প্রভাষক মোস্তফা কাইয়ুম শারাফাত, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আবু সায়েদ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক রহমতুল্লাহ্, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রভাষক সোহাগ আলী এবং পরিসংখ্যান বিভাগের সেকশন অফিসার শুভঙ্কর চন্দ্র সরকার।

প্রসঙ্গত, মহান বিজয় দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর স্বাধীনতা স্মারক চত্বরে কিছু শিক্ষক-কর্মকর্তা জাতীয় পতাকা সদৃশ ব্যানারসহ ছবি তোলেন। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশব্যাপী সমালোচনার সৃষ্টি হয়।