এইচএসসি ফল প্রকাশের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় দেশে তিন ধরনের ইচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ১. সরকারি বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ২. বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ৩. সরকারি বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চলতি বছর সর্বাধিক পাসের ফলে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয়ে ভর্তি হওয়া কঠিন হবে। দেশে সরকারি বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। তাই যারা সরকারি বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আগ্রহী অথচ আসন স্বল্পতার কারণে পারবেন না, তারা দেশের সর্ববৃহত্ সরকারি বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এনআইএসটি) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এবং ড্যাফোডিল শিক্ষা পরিবার কর্তৃক পরিচালিত একটি অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এনআইএসটিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৪ বছর মেয়াদি কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই), ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই), প্রাণরসায়ন (বায়োকেমিস্ট্রি) ও ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনেষ্টেশন (বিবিএ) বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে।
এনআইএসটিতে রয়েছে অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী, নিজস্ব সুবিশাল ক্যাম্পাস, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, সর্বাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, ইলেকট্রিক্যাল ল্যাব, রিসার্চ ল্যাব ও আধুনিক শ্রেণিকক্ষ। এসব সুবিধার কারণে শিক্ষার্থীরা তত্ত্বীয় জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি হাতে-কলমে সবকিছু শিখতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে শুধু সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি বা ক্যারিয়ার গড়া যায় না, দরকার হয় তত্ত্বীয় জ্ঞানের প্রায়োগিক দক্ষতা। এনআইএসটি সেই দক্ষতার শিক্ষাই দিয়ে থাকে। তাই এনআইএসটিতে পড়াশোনা করে ক্যারিয়ার নিশ্চিত করে ভবিষ্যত উজ্জল করা সম্ভব।
এনআইএসটি’র শিক্ষার্থীদের উন্নত ক্যারিয়ার ও আইটি বিষয়ে দক্ষ করার লক্ষ্যে সবাইকে ফ্রি ল্যাপটপ প্রদান করে থাকে। এনআইএসটির রয়েছে সর্বাধুনিক অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম যার নাম ব্লেনডেড লার্নিং সেন্টার (বিএলসি)। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস, পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্ট, কুইজ থেকে শুরু করে সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে। শিক্ষকরাও তাদের দক্ষতা উপস্থাপন করতে পারেন এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর জ্ঞান বিনিময়ের এক অন্যতম মাধ্যম হয়েছে বিএলসি। পড়াশোনা শেষে চাকরি খোঁজার দুশ্চিন্তা নেই এনআইএসটির শিক্ষার্থীদের। কারণ এনআইএসটির রয়েছে ‘স্কিল জবস’ নামের চাকরির প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে যেমন চাকরি খোঁজা যায়, তেমনি নিজের সফট স্কিল বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কোর্স ও ট্রেনিং করা যায়। শিক্ষার্থীরা এখানে নিজেদের আধুনিক রিজুমি তৈরি করতে পারেন।
উদ্যোক্তা হওয়ার জোয়ার চলছে সারা পৃথিবীতে। বাংলাদেশেও বিপুল সংখ্যক তরুণ উদ্যোক্তার পথে পা বাড়াচ্ছে। কিন্তু তাদের জন্য নেই সঠিক গাইডলাইন। এনআইএসটির শিক্ষার্থীরা পাবেন সেই কাঙ্ক্ষিত গাইডলাইন। এজন্য রয়েছে এন্ট্রাপ্রেনারশিপ বিভাগ ও বিজনেস ইনকিউবেটর। এ দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নবীন উদ্যোক্তাদের সহায়তা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল লিমিটেড (বিভিসিএল)-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে এই ফান্ডিং দেওয়া হয়। এনআইএসটির ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য রয়েছে আলাদা হোস্টেল ব্যবস্থা। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে ০১৭১৩৪৯৩১৯৬ নম্বরে www.nist.edu.bd যোগাযোগ করা যেতে পারে।