প্রাথমিক বিদ্যালয় হচ্ছে একজন শিক্ষার্থীর বিদ্যা অর্জনের প্রথম সোপান। অথচ প্রাইমারি শিক্ষকরা বিভিন্ন বৈষম্যে জর্জরিত। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ডিপিএড (ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন) বাধ্যতামূলক। দেড় বছরের এই প্রশিক্ষণ ছাড়া পদোন্নতি সম্ভব নয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ১২তম থেকে ১১তম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকগণ ১৫তম থেকে ১৪তম গ্রেডে আসেন। অথচ গ্রেড বাড়লেও একটি ইনক্রিমেন্ট বাদ দেওয়া হয় যার ফলে বেতন কমে যায়। এ কেমন নিয়ম? যে বয়সে পড়তে মন চায় না, সে বয়সে একজন শিক্ষককে প্রচুর পড়াশোনা করে সনদ অর্জন করতে হয়। কিন্তু সেই সনদে মূল বেতন কমে যায়। বর্তমানে প্রধানশিক্ষক ১১তম এবং সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেড ঘোষণা করা হয়েছে, যদিও তাঁদের ভাগ্যে এখনো তা জোটেনি।
প্রশিক্ষণ বিহীন ১৫তম থেকে ১৩তম এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৪তম থেকে ১৩তম গ্রেড প্রাপ্য হবেন। যিনি প্রশিক্ষণ করেননি তাঁর বেতন কমবে না, কিন্তু প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের বেতন কমবে! শিক্ষকদের প্রাণের দাবি প্রশিক্ষণে যে বেতন কমেছে, তা পুনর্বহাল করা হোক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মুন্নাফ হোসেন
সহকারী শিক্ষক,
মমিনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,
ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল