নোট-গাইড যে কোনো নামেই হোক তা নিষিদ্ধ করে চূড়ান্ত করা হয়েছে ‘শিক্ষা আইন ২০২০’ এর খসড়া। তবে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে সহায়ক বই প্রকাশ করা যাবে। খসড়া অনুযায়ী, বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টার চালাতে বাধা নেই। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়ে কোচিংয়ে পড়তে পারবে না। শিক্ষকরাও তাদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পড়াতে পারবেন না।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক ভার্চুয়াল বৈঠকে শিক্ষা আইন ২০২০-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এখন এর পরবর্তী ধাপ হিসেবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।
চূড়ান্ত খসড়া অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বৈধ থাকবে। তবে তা পরিচালনার জন্য অনুমোদন নিতে হবে। গণমাধ্যমও পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তু এবং এর আলোকে পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নাবলির উত্তর প্রকাশ করতে পারবে না। যদি মুদ্রণ ও প্রকাশ করতে চায় তবে গণমাধ্যমকে সরকারের কাছ থেকে পূর্বানুমোদন নিতে হবে।
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সহসভাপতি শ্যামল পাল বলেন, আমাদের সদস্যরা নোট-গাইড প্রকাশ করেন না, সহায়ক বই প্রকাশ করে। বিশ্বের অন্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সরকার যে সহায়ক বইয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছে, এজন্য তাদের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই।