রাজধানীর রায়েরবাজারের জাফরাবাদে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে শুভ সরকার (২৬) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় দুই তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। শুভ একটি প্রতিষ্ঠানের গাড়িচালক ছিলেন। করোনা সংক্রমণের কারণে গত বছরের মার্চে তিনি চাকরি হারান। তখন থেকেই শুভ বেকার। তার বাবা গোলাপ সরকার বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের গাড়িচালক হিসেবে কাজ করেন।
শুভর খালাতো ভাই বেলাল হোসেন জানান, গত সোমবার সন্ধ্যার দিকে শুভ বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তার মাকে জানান, ১০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসবে। একটু পরই তার মাকে ফোন করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, ‘আম্মু আমি কমিউনিটি সেন্টারের গলিতে, আমাকে বাঁচাও।’ এর পরই স্বজনেরা সেখানে ছুটে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুভকে ধানমন্ডির বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। স্বজনেরা সেখান থেকে উন্নত চিকিত্সার জন্য তাকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ জানায়, শুভ সপরিবারে ২১/১ জাফরাবাদে থাকতেন। সোমবার মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। শুভর মরিয়ম নামের সাত মাসের একটি মেয়ে আছে। তার স্ত্রী তানিয়া আক্তার।
মোহাম্মদপুর থানার এসআই পবিত্র কুমার মণ্ডল বলেন, ‘শুভ মাদকসেবী ছিলেন। তাকে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিত্সা দেওয়া হয়েছিল। শুভ যাদের সঙ্গে চলাফেরা করতেন, তারাই তাকে খুন করেছে বলে মনে হচ্ছে।’
ইত্তেফাক/এএএম