সেরা করদাতা হিসেবে শাকিবের হ্যাট্রিক

মা হ মু দু ল  আ মি ন

 

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নেওয়া নায়ক সুপারস্টার শাকিব খান। বছরের পর বছর নিজের অর্জিত আয় থেকে যথাসময়ে কর পরিশোধ করে তিনি পরপর তিনবার সেরা করদাতা হিসেবে সম্মানীত হয়েছেন। সম্প্রতি রাজধানীর পল্টনে একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে শাকিব খানের হাতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের উপস্থিতিতে শিল্পী শ্রেণিতে জাতীয় ট্যাক্স কার্ড নীতিমালা-২০১০ (সংশোধিত) অনুযায়ী ২০১৯-২০২০ কর বছরে সর্বোচ্চ আয়কর প্রদানকারী নির্বাচিত হওয়ায় ট্যাক্স কার্ড সম্মাননা পত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্য তারকাদের মধ্যে ট্যাক্স কার্ড সম্মাননা পত্র গ্রহণ করেন মমতাজ বেগম, তাহসান খান ও বিদ্যা সিনহা মিম। শাকিব খান পরপর তিনবার সর্বোচ্চ আয়কর প্রদানকারী হিসেবে নির্বাচিত হওয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘ট্যাক্স কার্ড সম্মাননা পাওয়াটা কতটা আনন্দের হয় তা শুধু যে পায় সে-ই জানে, সে-ই অনুভব করতে পারে এই সম্মাননা প্রাপ্তিটা কতটা আনন্দের, কতটা ভালোলাগার। এটা অনেক ভালোলাগার এই কারণে যে আমি আমার দেশের উন্নয়নে, আমি আমার কর্তব্যের কারণে নিয়মিত আয়কর দিয়ে যাচ্ছি। মানুষের মধ্যে যে দেশপ্রেম বেড়েছে, মানুষ যে অনেক আগ্রহ নিয়ে কর প্রদান করেন তার প্রমাণ মিলেছে করোনার প্রকোপের সময়টাতে। সেই সময়টাতে মানুষ আগ্রহ নিয়ে লাইন ধরে কর প্রদান করেছেন। আবার রাজস্ব বোর্ড আরো অধিক কর আদায়ের জন্য সময়ও বৃদ্ধি করেছিলেন। মূলকথা হলো আমাদেরকে নিয়মিত কর প্রদান করতে হবে আমাদের দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য। আমাদের করের টাকা দিয়েই কিন্তু পদ্মা সেতু হয়েছে। সুতরাং আগামীতে দেশের আরো উন্নয়নের জন্য নিয়মিত আমাদেরকে কর প্রদান করতে হবে। একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে, একজন নিয়মিত করদাতা হিসেবে আমি সত্যিই ভীষণ গর্বিত, আনন্দিত।’

এদিকে শাকিব খান ‘প্রিয়তমা’ শিরোনামে সরকারি অনুদানের জন্য একটি গল্প জমা দিয়েছেন। এই মুহূর্তে বেশ কয়েকটি ভালো গল্প পড়ছেন শাকিব খান। গল্প ভালো লাগলেই তিনি আবারো শুটিংয়ে ফিরবেন। শাকিব খান অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘নবাব এল এল বি’। বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের ৩৫তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শাকিব খান প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। পরবর্তীকালে ২০১২ সালে মালেক আফসারীর ‘খোদার পরে মা’, ২০১৫ সালে এস এ হক অলিকের ‘আরো ভালোবাসবো তোমায়’ এবং ২০১৭ সালে হাছিবুর রেজা কল্লোলের ‘সত্ত্বা’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার  অর্জন করেন।