সিনেটে পক্ষে ভোট দিয়েও ট্রাম্পের রোষানলে ম্যাককোনেল

সিনেটে অভিশংসনে তার পক্ষে ভোট দিয়েও সেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনার শিকার হলেন সংখ্যালঘিষ্ঠ নেতা মিচ ম্যাককোনেল। ট্রাম্প তার সঙ্গ ছাড়তে রিপাবলিকানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে এক জরিপে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের নির্বাচনেও ট্রাম্পকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান বেশির ভাগ রিপাবলিকান। খবর সিএনএনের

সিনেটে অভিশংসনের হাত থেকে দ্বিতীয়বারের মতো রক্ষা পাওয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক বিবৃতিতে ম্যাককোনেলকে একগুঁয়ে, জঘন্য এবং গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রিপাবলিকানরা যদি তার সঙ্গে থাকেন তাহলে   ভবিষ্যতে রিপাবলিকানরা আর জিততে পারবে না। ট্রাম্পের মতে, ম্যাককোনেল এমন কিছু করবেন না যা ঠিক এবং দেশের জন্য মঙ্গল। তিনি আরো বলেন, যেখানে প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী পাওয়া যাবে সেখানে ‘আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ এবং ‘আমেরিকা ফাস্টর্’ নীতিকে সামনে রেখে তাকে সমর্থন জানাব। ট্রাম্প দলকে যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে চালানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, একজন তৃতীয়সারির নেতা ভবিষ্যতে আমাদের দলকে নেতৃত্ব দিতে পারে না। দরকার একজন মেধাবী, চিন্তাশীল ও শক্তিশালী নেতৃত্ব।

ম্যাককোনেল সিনেটে অভিশংসনের ভোটে ট্রাম্পের পক্ষে ভোট দিলেও ক্যাপিটল হিলের হামলায় তার দায় আছে বলে উল্লেখ করেছিলেন। এই মন্তব্য নিয়েই ক্ষুব্ধ হয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প অভিশংসন থেকে রক্ষা পেলেও তার বিরুদ্ধে ক্যাপিটল হিলে হামলায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ এক শীর্ষ ডেমোক্র্যাট ইতিমধ্যে আদালতে মামলা করেছেন।

ট্রাম্পকেই চান রিপাবলিকানরা

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি থেকে কে মনোনয়ন পাবেন সেটি আজ নির্ধারণ হলে নিশ্চিতভাবেই মনোনীত হতেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। অভিশংসন থেকে সিনেটে রেহাই পাওয়ার পর ট্রাম্পের জনসমর্থন বেড়েছে। ৫৯ ভাগ রিপাবলিকান ভোটার জানিয়েছেন, ট্রাম্পকে তারা দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চান। ৫৪ ভাগ রিপাবলিকান ভোটার বলেছেন, আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে তারা প্রাথমিকভাবে ট্রাম্পকেই সমর্থন করবেন। ২০২৪ সালে ট্রাম্পের বয়স হবে ৭৮ বছর।