প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপের জন্যই বাংলাদেশে দ্রুত টিকা এসেছে :পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, এখন পর্যন্ত ৩০ থেকে ৩৫টি দেশ করোনার টিকা পেয়েছে। এমনকি অনেক উন্নত দেশও পায়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপের জন্য বাংলাদেশ দ্রুত টিকা পেয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মহাখালীস্থ শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে টিকা নেওয়ার পর তিনি এ কথা বলেন। এদিন টিকা নেন ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসনসহ বিভিন্ন দূতাবাসের কূটনীতিকরা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি সেই দিনের কথা স্মরণ করি যখন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে, আমরা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরি হওয়ার পরই পেয়ে যাব। ভ্যাকসিনটি তৈরি হওয়ার আগে আমরা অনেক দেশ এবং সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। যাতে বাংলাদেশের প্রতিটি ব্যক্তি টিকা পেতে পারে।

তিনি বলেন, সব দেশ যাতে ভ্যাকসিন পায়, সেজন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। আমরা মনে করি, এটা জনগণের সম্পত্তি, কেউ যাতে পেছনে পড়ে না থাকে এবং ভ্যাকসিন পায়। টিকা নেওয়ার পর তিনি বলেন, আমি টেরই পাই নাই। সহজ, একেবারে টেরই পেলাম না, হয়ে গেল। তিনি বলেন, টিকাদান শুরুর দুই সপ্তাহের মাথায় ১৫ লাখের বেশি মানুষ টিকা নিয়েছেন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা থেকেও সুচারুভাবে টিকাদান কর্মসূচি চলার কথা শোনা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, আমেরিকার কিছু লোকজন বাংলাদেশে এসেছে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি আমেরিকা থেকে এদেশে আসছেন কেন, ভ্যাকসিন নিতে? বলল, ওখানে ভ্যাকসিন কত মাস পরে যে দিবে, আমি জানি না। এ ফাঁকে আমি দেশেও আসলাম, ভ্যাকসিনও নিলাম।

বিদেশি মিশনের কর্মীরা কোন প্রক্রিয়ায় টিকা নেবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের মন্ত্রণালয় প্রত্যেকটি মিশনকে জানিয়ে দিয়েছে, এই জায়গায় ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। আপনারা রেজিস্ট্রেশন করে চলে আসবেন। হাসপাতাল সব সময় প্রস্তুত ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য।

যারা কূটনীতিক নন, তাদেরও ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা সরকার করে দেবে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্রে কর্মরত রাশিয়ার নাগরিকদের জন্য সেদেশের স্পুটনিক-৫ টিকা আনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।