টেক্সওয়ার্ল্ডের বিকল্প উদ্ভাবন

লে শোরুমে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান

 

অর্থনীতি ডেস্ক

 

করোনার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রযুক্তিগত অনেক উদ্ভাবন হচ্ছে। ফ্যাশন দুনিয়াও এর বাইরে নয়। চলতি মাসের ৫ ফেব্রুয়ারি পোশাক খাতের বড় প্রদর্শনী টেক্সওয়ার্ল্ড শেষ হয়েছে। জার্মানি ভিত্তিক সবচেয়ে বড় মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেসে ফ্রাঙ্কফুর্টে আয়োজিত পাঁচ দিনের এ মেলায় নতুন উদ্ভাবন হয়েছে। টেক্সওয়ার্ল্ড প্যারিস সাধারণত প্যারিসে বছরে দুইবার অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে একই ছাদের নিচে ফ্যাশন শিল্পের প্রায় দেড় হাজার উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য প্রদর্শন করে থাকে। কোভিড ১৯-এর কারণে বিশ্ব এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। তাই নতুন উদ্ভাবন হিসেবে এখন ভিডিও এর মাধ্যমে উত্পাদনকারীদের সঙ্গে ক্রেতাদের সংযোগ স্থাপনের পদ্ধতি করা হয়েছে। আবার ক্রেতারা নিজ উত্পাদনকারীদের পণ্যও হাতে নিয়ে দেখতে পারার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তেমনি একটি উদ্ভাবন হলো লে শোরুমে উত্পাদনকারীদের নমুনা পণ্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখান উত্পাদক ও ক্রেতাদের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরির জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এবছর লে শোরুমে বাংলাদেশি উত্পাদক প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জুবায়ের এবং হুরাইন হাইটেক ফ্যাব্রিক্স তাদের পণ্য পাঠিয়েছিল। প্যারিসের ঐ শোরুমে নমুনাগুলো দেখে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেছেন। পরে বাড়তি কোনো বিষয় জানতে পারার সুযোগও থাকছে এ পদ্ধতিতে। আর টেক্সওয়ার্ল্ড শেষ হওয়ার পরেও ছয় মাস ধরে এখানে নমুনা প্রদর্শনের সুযোগ থাকছে। এতে উভয় পক্ষই লাভবান হবে বলে আয়োজক ও উত্পাদকরা মনে করছেন।