বদলগাছী (নওগাঁ) সংবাদদাতা
সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বদলগাছী উপজেলায় গড়ে উঠছে একের পর এক স মিল। কখনো সরকারি জমি দখল করে, কখনো আবাসিক এলাকায়, কখনো আবার সড়ক ঘেঁষে গড়ে তোলা হচ্ছে এসব স মিল। যার বেশির ভাগেরই লাইসেন্স নেই। নিয়মনীতি উপেক্ষা করে সড়কের পাশে স মিল গড়ে তোলায় যেমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পথচারীদের, তেমনি পাড়া-মহল্লায় অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা স মিলের কারণে বিকট শব্দে ভোগান্তিতে পড়ছে এলাকাবাসী। অন্যদিকে অবৈধ স মিলে কাঠের জোগান দিতে নির্বিঘ্নে উজাড় হচ্ছে ছোট-বড় গাছপালা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ৩০-৩৫টি স মিল রয়েছে। এদের নেই কোনো বৈধ কাগজপত্র। পাহাড়পুর বিষপাড়ায় অবস্থিত স মিলের মালিক মিনহাজুল ইসলাম বলেন, আমার মিলের লাইসেন্স আছে, আমি নবায়ন করে নিয়েছি। কিন্তু অনেকের লাইসেন্স নেই তারা অবৈধভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা স মিল মালিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের সমিতির কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে রয়েছে। তাই সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত স মিল পরিচালনা করার নিয়ম থাকলেও কেউ তা মানছে না। রাতের আঁধারে তারা গাছ ফারার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বদলগাছী উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাকিম বলেন, উপজেলাতে প্রায় ৩০/৩৫টি স মিল আছে। এর মধ্যে ১৫টির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। বাকিগুলোর কোনো কাগজপত্র নেই। আমি তাদের নোটিশ করেছি। সাড়া না পেলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহা. আবু তাহির বলেন, উপজেলা বন কর্মকর্তার মাধ্যমে নোটিশ করে অবৈধ স মিলমালিকদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।