স্পোর্টস রিপোর্টার
এএফসি কাপ ফুটবলে সরাসরি গ্রুপ পর্বে খেলবে বসুন্ধরা কিংস। আগামী ১৪-২০ মে গ্রুপ পর্বের খেলা হবে। কোথায় খেলা হবে সেটি এখন চূড়ান্ত হয়নি। তবে এএফসি গ্রুপ পর্বের ছয়টি খেলা এক মাঠে আয়োজন করবে। করোনার কারণে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে এখন আয়োজন করা কঠিন। যে কারণে এএফসি জানতে চেয়েছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস গ্রুপ পর্বের খেলা আয়োজন করতে চায় কি না। যখন জানতে চেয়েছিল তখন এতে আগ্রহ ছিল না। কিন্তু এখন বাফুফে বসুন্ধরাকে আগ্রহী করে তুলেছে। বসুন্ধরাও আয়োজক হওয়ার জন্য রাজি হয়েছে বলে গতকাল জানিয়েছেন বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান।
শুধু বসুন্ধরা কিংসই নয়, এএফসি ‘ডি’ গ্রুপের সব দলকেই জানিয়েছে কারা আয়োজক হতে চায়। এর মধ্যে রয়েছে ভারতের এটিকে মোহনবাগান, মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস রিক্রিয়েশন ক্লাব। এর মধ্যে মোহনবাগান আগ্রহ দেখিয়েছে। যদি তাদের আবেদন অনুমোদন পায় তাহলে সব খেলা ভারতেই হবে। ১৭ ফেব্রুয়ারি ছিল আবেদন করার শেষ দিন। বসুন্ধরা আবেদন করেছে তারা সিলেটে খেলাটা আয়োজন করতে চায়। ঢাকায় খেলা হতে হলে সাধারণ দর্শকের জন্য গ্যালারিতে চেয়ার থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে চেয়ার নেই। তার পরও যদি আয়োজন করতে হয় তাহলে ভিআইপি গ্যালারির চেয়ার দেখিয়ে বলতে হবে আমাদের চেয়ার আছে। ভিআইপিতে ৪ হাজার চেয়ার আছে। এএফসির অনুমোদনও আছে। কিন্তু গ্যালারির অনুমোদন নেই।
সিলেটে গ্যালারিতে চেয়ার আছে। সেখানে খেলা হতে হলে এএফসি বলছে চারটা ড্রেসিং রুম লাগবে। এখন আছে দুইটা। বাকি দুইটা ড্রেসিং রুম তৈরি করা যাবে। এছাড়াও অনুশীলন মাঠও পাওয়া যাবে সেখানে।
বসুন্ধরার গ্রুপে এখন তিনটি দল থাকলেও এই গ্রুপে চার নম্বর দলটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। চার নম্বর দলটি প্লেঅফ ম্যাচ খেলে ঢুকবে। বসুন্ধরা ছাড়াও আবাহনী এএফসি কাপে খেলছে, তবে আবাহনী প্লেঅফ ম্যাচ খেলে গ্রুপে ঢুকবে। আবাহনীর খেলা ১৪ এপ্রিল, প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হয়নি এখনো। সিলেট ভেন্যু যদি অনুমোদন পায় তাহলে সাত দিন ক্লাব ফুটবল নিয়ে উত্সবে মেতে থাকবে সিলেটের ফুটবল অনুরাগীরা।