তাসফিয়া তাসমিন মিশু
প্রভাষক, বাংলা বিভাগ
ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ, ঢাকা
বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যে শব্দটি গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ক্ষোভ ও ঘৃণা ছড়িয়েছে সেটি হলো ‘রাজাকার’। এদেশে জন্ম নিয়েও যুদ্ধের সময় তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীদের সহায়তা করেছিল। রাজাকার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিতো এবং বিভিন্নভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন করতো। এমনকি হত্যা করতো।
ক) বাসববিজয়ী কে?
খ) ‘লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে’ দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ) উদ্দীপকের রাজাকারদের সাথে ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতার কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ) উদ্দীপকটি ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতার মূলভাবের প্রতিনিধিত্ব করে কি? - মতামত দাও।
উত্তর:
ক) বাসববিজয়ী হলো ‘মেঘনাদ’।
খ) প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা অস্ত্রাগারে নিয়ে যুদ্ধের সাজে সজ্জিত হয়ে এসে মেঘনাদ লক্ষ্মণকে হত্যা করে লঙ্কাপুরীর কলঙ্ক কালিমা মুছে দিতে চেয়েছে।
মেঘনাদ যুদ্ধযাত্রার পূর্বে নিকুম্ভিলা যজ্ঞগারে ইষ্টদেবতা অগ্নিদেবের পূজা সম্পন্ন করতে মনস্থির করে। কিন্তু মায়াদেবীর অনুগ্রহ এবং মেঘনাদের কাকা বিভীষণের সহায়তায় শত শত প্রহরীর চোখ ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্মণ সেই যজ্ঞাগারে প্রবেশ করে। লক্ষ্মণ নিরস্ত্র মেঘনাদকে যুদ্ধে আহবান করে। সেই আক্রমণ প্রতিহত করতে মেঘনাদ অস্ত্রাগারে যেতে চায় অস্ত্র আনার জন্য। শত্রু লক্ষ্মণকে যুদ্ধে পরাজিত ও হত্যা করে লঙ্কার কলঙ্ক মোচন করতে চায় সে। কিন্তু বিভীষণ অস্ত্রাগারের দ্বার রোধ করে দাঁড়িয়ে থাকে। তখন মেঘনাদ বিভীষণকে প্রশ্নোক্ত কথাগুলো বলেছে।
গ এবং ঘ এর উত্তর কাল