শিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড এমপিও নীতিমালা ২০১৮ (সংশোধনী ২৩ নভেম্বর ২০২০)-তে মাদ্রাসায় জনবল নিয়োগ ও এমপিও প্রদানের ক্ষেত্রে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মাদ্রাসা থেকে ফাজিল/কামিল সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের যোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়েছে। অথচ প্রায় অভিন্ন সিলেবাস হওয়া সত্ত্বেও আবেদনের সুযোগ পর্যন্ত রাখা হয়নি ঢাবি, জবি, রাবি, চবিসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজসমূহ এবং বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য। ইসলাম শিক্ষার সঙ্গে মাদ্রাসার সম্পর্ক অভিন্ন সূত্রে গাঁথা। তবু মাদ্রাসাগুলোতে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে কোনো প্রভাষক পদ নেই। অথচ এতদিন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ থেকে শুরু করে গ্রন্থাগারিক পর্যন্ত প্রায় ২৯টি পদে চাকরির সুযোগ ছিল এসব শিক্ষার্থীর। নতুন নীতিমালায় ইসলামিক স্টাডিজের শিক্ষার্থীদের আবেদন করারও অযোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়েছে। মেধার স্বাক্ষর রেখে দেশের সর্বোচ্চ স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ থেকে ইসলামিক স্টাডিজে পড়াশোনা শেষ করেও যদি মাদ্রাসাগুলোতে আবেদনেরও যোগ্যতা না হয়, তা সত্যিই লজ্জাজনক। এ বৈষম্যমূলক নীতিমালা প্রত্যাহার করে, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা যাচাইয়ের সুযোগ রাখার জন্য মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
নাঈমা আক্তার রিতা
শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা