নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
নাগেশ্বরী উপজেলার চরাঞ্চলীয় জমিতে এখন বাণিজ্যিকভাবে মরিচ চাষ হচ্ছে। পাকা ও কাঁচা অবস্থাতেই এর প্রচুর চাহিদা থাকা এবং ভালো ফলনের সঙ্গে দামও ভালো পাওয়ায় উপজেলায় প্রতি বছরই বাড়ছে মরিচের চাষ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এবার উপজেলার ২৭৮ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলা দুধকুমর, ব্রহ্মপুত্র, শংকোষ, ফুলকুমর, গঙ্গাধর নদীর অববাহিকার বিস্তীর্ণ জমিতে শোভা পাচ্ছে মরিচ খেত। এখানে উত্পাদিত ঝালযুক্ত মরিচ এলাকার চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন পাইকারি বিক্রেতার হাত ঘুরে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলার হাটবাজারে। কেদার ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের মমিন উদ্দিন জানান, সংকোষ নদীর তীরে আট বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন তিনি। এবার মরিচের ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। এ পর্যন্ত তিনি দুই ধাপে ১৫০ মণ মরিচ তুলেছেন। বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে প্রায় দেড় থেকে ২ লাখ টাকার মরিচ বিক্রি হবে। এমন কথা জানান নারায়ণপুর ইউনিয়নের ইদ্রিস আলী, আবু সামা, সামাদ আলীসহ আরো বেশ কয়েক জন মরিচ চাষি।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাজেন্দ্র নাথ রায় জানান, এবারে অনুকূল আবহাওয়ায় খরিপ মৌসুমে শীতকালীন মরিচ উত্পাদন ভালো হয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত শীতকালীন মরিচ উত্পাদনের জন্য উপযুক্ত সময় হওয়ায় শেষ দফায় কৃষকের ঘরে আরো মরিচ উঠবে। বাজারে এর চাহিদা ও মূল্য আশানুরূপ হওয়ায় মৌসুম শেষে কৃষক লাভবান হবেন বলে আশা করা যায়।