মিয়ানমারে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে দুই জন নিহত হওয়ার পরও বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন সামরিক জান্তাবিরোধীরা। শনিবারের গুলির ঘটনার পর গতকাল বিক্ষোভ আরো বেড়েছে। বিভিন্ন শহরে ব্যাপক সংখ্যক বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়। খবর রয়টার্সের
শনিবার মিন্দালয় শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে দুই জন নিহত হন। সেখানে গতকাল প্রচুর মানুষ জড়ো হন নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। এক বিক্ষোভকারী বলেন, সামরিক জান্তার সরকার আমাদের মাথা এবং ভবিষ্যেক টার্গেট করেছে। জানা গেছে, সেখানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়, সেখানে রাস্তায় কার্তুজ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ হয়েছে। গতকাল এসব এলাকা ছিল বিক্ষোভে উত্তাল। ইন নিয়েইন নামের এক গণতন্ত্রপন্থি বলেন, বিক্ষোভে আরো মানুষ আসবে। আমাদের থামানো যাবে না। কো পে নামের এক বিক্ষোভকারী বলেন, তরুণদের অনেক স্বপ্ন আছে। কিন্তু সামরিক বাহিনী সেই স্বপ্নপূরণে বাধা সৃষ্টি করেছে। এজন্যই আমরা ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তায় নেমে এসেছি।
পর্যটন এলাকা ইনলে লেকে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরাও বিক্ষোভে অংশ নেন। তারা নৌকা নিয়ে বিক্ষোভ করেন এবং সামরিক সরকারের সমাপ্তির অবসান দাবি করেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি নিয়ে সামরিক জান্তা সরকারের মুখপাত্র জ মিন তুন কোনো মন্তব্য করেননি। তবে গত মঙ্গলবার তিনি দাবি করেন, সামরিক বাহিনী আইন মেনেই বিক্ষোভ দমনে কাজ করছে। দেশটির বেশির ভাগ মানুষ সেনা সরকারকে সমর্থন করছে বলেও দাবি করেন তিনি। গত পহেলা ফেব্রুয়ারি অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে সামরিক বাহিনী।