অতি প্রাচীন এই পানি সেচযন্ত্র। অঞ্চলভেদে এর বিভিন্ন নাম থাকলেও বাগমারার কৃষকরা একে ‘জাঁত’ বলে চেনেন। এককালে সর্বত্রই এটি চোখে পড়লেও এখন আধুনিক সেচ যন্ত্রের ভিড়ে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে এই সেচযন্ত্র জাঁত। উপজেলার মাধনাগর গ্রামের কৃষক জাফর আলী বলেন, শখের বসে জাঁত দিয়ে পানি তুলে বোরোর জমিতে সেচ দিই। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাজিবুর রহমান জানান, অনেক কৃষক এখনো শখের বসে জাঁত ধরে রেখেছেন। অনেক কৃষক বিষমুক্ত ফসল উত্পাদন করতে বিভিন্ন দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার করছেন।