নার্সিং সেক্টরে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাত্ চান নার্স নেতারা। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে নার্সেস সংগ্রাম পরিষদ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজিস্টদের ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সাইন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি সমমান নিবন্ধন/লাইসেন্স দেওয়ার দাবি অযৌক্তিক। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নার্সিং পেশার মান রক্ষার লক্ষ্যে কোনোক্রমেই কারিগরি বোর্ডের অধীন পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজিস্টদের নার্স হিসেবে নিবন্ধন দেওয়া যাবে না। পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকাদের ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি সমমান করা যাবে না। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ব্যাচেলর অব নার্সিং সায়েন্স, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি, ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি ছাত্রছাত্রীদের নির্ধারিত কম্প্রিহেনসিভ লাইসেন্সিং পরীক্ষার স্থগিতাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করে কম্প্রিহেনসিভ লাইসেন্সিং পরীক্ষার ব্যবস্থা করার দাবি জানান নার্স নেতারা।
জনগণের স্বাস্থ্য সেবা সুরক্ষা এবং শিক্ষা, সেবা ও প্রশাসনের সব ক্ষেত্রে উন্নয়নমুখী নার্সিং পেশার মান রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ কামনা করেন নার্স নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নার্সেস সংগ্রাম পরিষদের মুখপাত্র ও স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের সদস্য সচিব মো. আনিছুর রহমান, নার্সেস সংগ্রাম পরিষদের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ শাখার সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন পাটওয়ারী, নার্সেস সংগ্রাম পরিষদের মুখপাত্র ও স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের মহাসচিব মো. ইকবাল হোসেন সবুজ, নার্সেস সংগ্রাম পরিষদের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জুয়েল ও দেশে প্রথম কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণকারী নার্স রুনু বেরোনিকা কস্তা।