শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা প্রসঙ্গ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা-না-খোলা নিয়ে চলছে বিতর্ক। খোলা বা বন্ধ রাখা নিয়ে পাঠকের অভিমত জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে টেলফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকের মতামত আজ প্রকাশিত হলো।

গত কয়েক সপ্তাহ থেকে দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিম্নমুখী। অপরদিকে সারা দেশে জাতীয়ভাবে গণ টিকাদান কর্মসূচি পুরোদমে চলমান। এমতাবস্থায় নির্ধারিত স্বাস্থ্য নির্দেশিকার আলোকে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনের শর্তে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার যথার্থতা ভেবে দেখা অত্যাবশ্যক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ খোলার পর স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনে যে পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হবে, সেই ব্যয় নির্বাহের জন্য আসন্ন বাজেট বর্ষে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়টি ভাবনায় রাখা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক বিদ্যার্থীর শিক্ষায় বছরব্যাপী পুঞ্জীভূত ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সঠিক ও বাস্তবমুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নপূর্বক সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ সময়ের ন্যায্য দাবি।

ওয়ারেছ আলী

সদর, নরসিংদী

করোনা সংক্রমণের বিস্তার রোধ এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যবান জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রায় এক বছর ধরে প্রাথমিকসহ সকল সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। টিভি, রেডিও এবং অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রম চললেও আর্থিক ও প্রযুক্তিগতসহ নানা অসমর্থতায় অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত। ছুটি আরো দীর্ঘায়িত হলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার হার বাড়বে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনেকগুলো পরীক্ষা স্থগিতের ফলে সৃষ্ট সেশন জট এবং অলস সময় তরুণ শিক্ষার্থীদের মানসিকতায় বিরূপ ফেলছে। দেশের করোনা পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। চলছে গণটিকাদান কর্মসূচিও। তাই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষার প্রাণ ফেরাতে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

আবু ফারুক

সদর, বান্দরবান

আপতকালীন ব্যবস্থা তথা অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা যত বেশি প্রলম্বিত হবে শিক্ষাব্যবস্থায় ততবেশি গভীর ক্ষত সৃষ্টি হবে! শিক্ষাখাতের ক্ষতি হয়তো অন্যান্য খাতের মতো নগদ মূল্য দিয়ে পরিমাপ সম্ভব নয় কিন্তু তারমানে এই নয় যে, এই খাতের গুরুত্ব কোনো অংশে কমতাই শিক্ষার্থীদের ক্ষতির কথা অনুধাবন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত্ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাখাতেও স্বাভাবিক কার্যক্রম চালুর বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের দেশের সরকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গত মার্চ মাস থেকে বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং তা কয়েক দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যতীত সব অফিস-আদালত, দোকান, মার্কেট, বেসরকারি অফিস, গণপরিবহন ইত্যাদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলে দিয়েছে। দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

মো. জিল্লুর রহমান

ঢাকা

করোনাকালে সবচেয়ে দোদুল্যমান অবস্থায় রয়েছে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। সম্প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বা বন্ধ রাখা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শিক্ষাবিদদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আগে করোনা প্রতিরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে ।

ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা

ঝিকরগাছা, যশোর

টানা প্রায় এক বছর ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের কেবল পড়ালেখা নয়, জীবনযাত্রার ওপরও চরম নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠদান চালু থাকলেও সিংহভাগ শিক্ষার্থী এর সুবিধা ভোগ করতে পারেনি। ফলে, সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীর অনেক শিক্ষার্থীর ঝরে পড়ার আশঙ্কা অমূলক নয়। তাই কয়েক কোটি শিক্ষার্থীর জীবনের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে স্থবিরতার লাগাম টানতে সীমিত পরিসরে হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া যেতে পারে।

মোহাম্মদ ফয়সাল

পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম

সরকার  স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি  বিবেচনায় রেখে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়িয়ে আসছে। তবে অনার্স শেষ বর্ষ ও মাস্টার্স পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিয়েছেন। করোনার মধ্যেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সব কার্যক্রম সচল রয়েছে। তাই চলমান পরীক্ষায় সরকারের নীতি আকস্মিক পরিবর্তন না করে পরীক্ষা সচল রাখার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করলে ছাত্র-শিক্ষক—সবার জন্য ভালো হতো।

মোহাম্মদ ইসলাম

চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা

অচিরেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

প্রহরী মনিরুজ্জামান

ত্রিশাল, ময়মনসিংহ

করোনা সংক্রমণ এখন অনেকটাই কমে আসলেও সম্পূর্ণ নির্মূল হতে আরো সময়ের দরকার। আশা করছি, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর মাধ্যমে সরকার শিক্ষা খাতের চলমান সংকট নিরসনে উদ্যোগী হবে।

এএফএম সালাহউদ্দীন

বান্দরবান

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থায়ও এসেছে এক ধরনের স্থবিরতা। আমাদের জীবনে শিক্ষার যেমন প্রয়োজন রয়েছে তেমনি জীবনের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। টিকা প্রদান ও এর কার্যকারিতা দেখার জন্য আমাদের আরো কিছু সময় অপেক্ষা করা দরকার। এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে বর্তমান সময়ে সরকারও সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা দিতে পারছে না। তাই ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়াই উত্তম।

কামরুজ্জামান

শ্রীপুর, গাজীপুর

প্রায় বছরকালব্যাপী দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ আছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার কারণে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় সাধারণ ছুটি আর না বাড়িয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া উচিত।

মনিরুল হক রনি

সাভার, ঢাকা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছেন। করোনা পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কোনো দেশের শতকরা ৮০ জনের টিকা দেওয়ার পরেই করোনার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। তাই আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে অলোচনা সাপেক্ষে একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে উপনীত হবে।

মাখরাজ খাঁন

সাটুরিয়া,মানিকগঞ্জ

করোনা পরবর্তী সময়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দেওয়া যায় কি না, এ জন্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুজতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে যদি করোনায় আক্রান্তের হার বেড়ে যায়—তাহলে এর দায় কে নেবে?

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

দেশের বেশির ভাগ অভিভাবক এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া এবং ছেলেমেয়েকে স্কুলে পাঠাতে নিরাপদ মনে করছেন না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে মেনে চলবে না। এমতাবস্থায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরো কিছু দিন পরে খোলা হোক।

শেখ ওয়ালীউল্লাহ

ধানমন্ডি, ঢাকা

বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ স্কুল-কলেজে যেখানে লাখো শিক্ষার্থীর সমাগমের বিষয়ে রয়েছে সেখানে স্বাস্থ্যবিধিসহ অন্যান্য নির্দেশনা মানা অসম্ভব । কাজেই গত সোমবার শিক্ষামন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সব বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ২৪ মে থেকে শুরু হবে।

সুলতানা জামান

মানিক নগর,

ঢাকা

বেসরকারি জরিপে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, দেশের প্রতি ৫৫ শতাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে নিরাপদ বোধ করছেন না।  অনেক অভিভাবক মনে করছেন স্কুলে সন্তান স্বাস্থ্যবিধি নির্দেশিকা মেনে চলতে সক্ষম হবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিতভাবে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে।

আরিফ হাসান

মধ্যবাড্ডা ঢাকা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। শুধু আলটিমেটাম দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। তাই সব মহলকে অত্যন্ত সহমর্মিতা, সহিষ্ণুতার নিদর্শন দেখানো খুবই জরুরি।

অ্যাডভোকেট এস কে মো. রমিউদ্দিন

মিরপুর, ঢাকা

দীর্ঘদিন যাবত্ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করোনার কারণে বন্ধ রয়েছে। এদিকে ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ। শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবনের কথা অনুভব করে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।

মেসবাইউদ্দিন সেলিম

ইব্রাহিমপুর, ঢাকা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে সেখানকার পরিস্থিতি ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে  প্রস্তুতি দরকার। এছাড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ

সদর, ফেনী

বর্তমান সারা দেশে করোনা ভাইরাসের টিকা প্রদান কার্যক্রম চলছে। করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৭ই মার্চ ২০২০ ইং থেকে বন্ধ আছে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। করোনার কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে আশা করি সরকার পদক্ষেপ নেবে।

মাসুদ উজ জামান

চানকার পুল, ঢাকা

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এখনো তেমন কমেনি। স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়টি তাই খুব গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের ঘোষণার পর অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা পরীক্ষা স্থগিত হয়ে গেছে। সবার আগে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পদক্ষেপ নিতে হবে ।

মো. শহীদুল ইসলাম

মধ্যপাড়া, বগুড়া

ব্রিটেন, আমেরিকা, জার্মান, ফ্রান্স, ইতালি, ভারতসহ উন্নত বিশ্বে এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি খুলে দিতে অপারগতা প্রকাশ করছে। করোনার সঠিক চিকিত্সা এখনো অনাবিষ্কৃত। টিকা নিলেও ভ্যাকসিন কতটুকু কার্যকর তা কেউ নিশ্চিত নয়। অনেক দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর শিক্ষার্থীসহ শিক্ষকরা করোনার আক্রান্ত হওয়ার পর তা পুনরায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। উত্তেজিত হয়ে কিংবা হুজুগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়ে সবাইকে যেন চরম মূল্য দিতে না হয়।

মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ

সরদারপাড়া, মুন্সীগঞ্জ

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার জন্য বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি।

বিলকিছ আক্তার

টাঙ্গাইল

বর্তমানে করোনায় মৃত্যুর হার কম, ব্যবসা বাণিজ্যসহ সব কিছুই স্বাভাবিক। শিক্ষার্থীরা যেভাবে শিক্ষালয়ে না গিয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়েছে, তা থেকে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে অনেক সময় লাগবে, অনেক শিক্ষার্থী এরই মধ্যে ড্রপআউট হয়েছে বা হবে, যা দেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

মো. ফিরোজ আহম্মেদ

মিরপুর, ঢাকা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া একান্ত জরুরি। দেশের ৬০ ভাগ মানুষ চান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলুক।

সালেহা আফরিন বেবি

শিবগঞ্জ, সিলেট