মুক্তিযোদ্ধা ব্যাংক প্রতিষ্ঠার আবেদন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে প্রকাশ, গত পাঁচ বছরে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ব্যয় করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় অনেক পদক্ষেপ। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য স্বতন্ত্র বাণিজ্যিক ব্যাংক হলে সেই ব্যাংকের মাধ্যমেই মুক্তিযোদ্ধারা তাঁদের সম্মানীর টাকা তুলতে পারবেন। সেখান থেকে দেওয়া হবে নানবিধ ঋণ সুবিধা, মাসিক কিস্তি আদায়ে কোনো বকেয়া থাকবে না, সেখানে কাজের সুযোগ পাবেন মুক্তিযোদ্ধার প্রকৃত উপযুক্ত উত্তরাধিকারী। বর্তমানে সরকারি,  বেসরকারি, বিশেষায়িত, সরকার নিয়ন্ত্রিত ও বিদেশি ব্যাংক মিলিয়ে মোট ব্যাংক রয়েছে ৬৩টি এবং লিজিং কোম্পানির সংখ্যা ৩৮।

বর্তমানে দুই লাখ পাঁচ হাজার ১৯৮ জন সুবিধাভোগী মুক্তিযোদ্ধার প্রত্যেকের শেয়ারের পরিমাণ হবে কমপক্ষে ১০০০ টাকার। তাতে তাঁদের পক্ষে শেয়ার আসবে ২০০ কোটি টাকা। বাকি ২০০ কোটি টাকা সরকারি শেয়ার হলে মোট ৪০০ কোটি টাকার মূলধন সংরক্ষণ ও সংস্থান হয়ে যাবে। পরিচালনা পর্ষদ সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীনে থাকার ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারবে সরকার। এর যাবতীয় কল্যাণময় উপযোগ নির্ধারণ করা থাকবে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের জন্য। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মোহাম্মদ এমদাদুল হক

ঢাকা