বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে পিলখানার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক পুনর্বিচারের উদ্যোগ নেবে। তখন ঘটনার নেপথ্যে নায়করা কেউ রেহাই পাবে না। এছাড়া বিএনপি পিলখানা সদর দপ্তরে সেনা হত্যা দিবস ২৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করবে। গতকাল বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রিজভী বলেন, ঐ নির্মম হত্যাযজ্ঞ দেশের গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক সেনাবাহিনীর জন্য শুধু একটি বিপর্যয়ের দিনই নয়, বরং এটি ছিল সেনাবাহিনীকে পঙ্গু করার এক সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের অংশ। তবে এটাই প্রথম নয়, সেনাবাহিনীকে ধ্বংসের ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৫ সাল থেকেই। সে সময়ও ক্যান্টনমেন্টে সুপরিকল্পিতভাবেই বিশৃঙ্খলার জন্ম দেওয়া হয়। রুহুল কবির রিজভী বলেন, দীর্ঘ এক যুগ পেরিয়ে গেলেও জবাব মেলেনি এ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত অনেক প্রশ্নের। এই হত্যাকাণ্ডের যে তদন্তগুলো হয়েছে তারও পূর্ণাঙ্গ কোনো প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ করা হয়নি। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করা হয়েছে বলেই জনগণ বিশ্বাস করে।
রিজভী বলেন, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি খুলনায় বিএনপির মেয়র প্রার্থীদের সমাবেশের প্রস্তুতির প্রাক্কালে খুলনা মহানগরীতে ব্যাপকভাবে পুলিশি হামলা ও হয়রানি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আমি এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও অবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।