সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
মশার উত্পাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সৈয়দপুর পৌরবাসী। মশার যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পেতে প্রতি মাসে কয়েল অ্যারোসলসহ বিভিন্ন উপকরণ কিনতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। তবুও নিস্তার নেই কারো। এছাড়াও রয়েছে মশাবাহিত রোগ আতঙ্ক। এদিকে মশার উত্পাত বৃদ্ধিতে শহর জুড়ে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করেছে পৌরসভা।
সরজমিনে পৌরসভার বাঁশবাড়ি, মিস্ত্রীপাড়া, হাতিখানা, মুন্সিপাড়া, ইসলামবাগ, রসুলপুর, গোয়ালপাড়া ও নয়াটোলো এলাকায় দেখা গেছে, ড্রেন-নর্দমা পরিষ্কার করা হলেও ড্রেনে পানি আবদ্ধ হয়ে থাকায় মশার বংশ বিস্তার হচ্ছে। এছাড়া ডোবা, জলাশয় ও মজা পুকুর মশার উত্পত্তিস্থলে পরিণত হয়েছে। নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা রুহুল আলম মাস্টার জানান, মশা নিধন পৌরসভার ওপর ছেড়ে দিলে হবে না, এর সঙ্গে শহরবাসীকে সচেতনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। নিজের আবাসস্থল পরিচ্ছন্ন রাখতে বসবাসকারীদের সহযোগিতা করতে হবে। বাড়ির ময়লা-আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলে ডাস্টবিনে ফেলা উচিত। এমনটি করা হলে মশার উত্পাত অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
সৈয়দপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র জিয়াউল হক জানান, মশা নিধন করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের ড্রেন-নর্দমা, বাসাবাড়ি ও মশার আবাসস্থলে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। এ কাজ নিবিড়ভাবে করতে ফগার মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া মশা বিস্তারের উত্স মশার ডিম ও লার্ভা ধ্বংসে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হওয়ায় এর সুফল শিগিগর পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।