দেশের বৃহত্তম সৌর বিদ্যুেকন্দ্র সন্দ্বীপে

 

 

দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম। একে বন্দর নগরীও বলা হয়। সাড়া জেলাতেই রয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য। দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে সাধারণ বিদ্যুত্ ব্যবস্থা নেই। স্বল্প বিস্তার এর অভাব পূরণ করছে সৌরবিদ্যুত্। দেশের বৃহত্ সৌরবিদ্যুত্ কেন্দ্র এখানেই অবস্থিত । ১০০ কিলোওয়াট সোলার মিনি গ্রিড থেকে আলোকিত হচ্ছে মেঘনা মোহনার এ জনপদটি। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে যাত্রা শুরু করে এ প্রকল্পটি। বর্তমানে উপজেলার চার কিলোমিটার এলাকায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক অনেক। জার্মানির বেসরকারি সংস্থা কেএফডব্লিউর ৫০, অর্থলগ্নী সংস্থা ইডকলের ৩০ ও উদ্যোক্তা সংস্থা পূরবী গ্রিন অ্যানার্জি লিমিটেডের ২০ শতাংশ অর্থায়নে প্রকল্পটি চালু হয়। প্রকৌশলী সংসদ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পে প্রযুক্তি সরবরাহ ও সংস্থাপন করে অ্যানার্জি সিস্টেম (বাংলাদেশ) ও অ্যাসান্টিস সিস্টেমস (জার্মানি)। শূন্য দশমিক ছয় একর জমিতে নির্মাণ হওয়া প্রকল্পে ব্যয় হয় পাঁচ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।  ১০০ কিলোওয়াটের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সন্দ্বীপের একটি অংশ সৌরবিদ্যুত্ দিয়ে আলোকিত করা সম্ভব হচ্ছে। আগামীতে প্রকল্প আরও সমপ্রসারণের পরিকল্পনা আছে।  প্রকল্পে ২০০ ওয়াটের ৩২৪টি ও ১৩৫ ওয়াটের ২৪০টি প্যানেল ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে বর্তমান সোলার মিনি গ্রিডের মতো আর পাঁচটি প্রকল্প হাতে নিলে পুরো উপজেলা সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা সম্ভব হবে। শীঘ্রই প্রকল্পের আকার দ্বিগুণ হবে। সমপ্রসারিত প্রকল্পে সন্দ্বীপের বড় একটি অংশ আলোকিত করা যাবে। যাদের অবস্থা একটু সচ্ছল তারা ব্যক্তিগত উদ্যোগে সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা করছেন। অনেক ঘরের ছাদ কিংবা আঙিনায় বসানো হয়েছে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল।  কেউ কেউ সৌরবিদ্যুতের প্যানেল বসিয়েছেন। কেউবা নিজস্ব উদ্যোগে জেনারেটর ব্যবহার করছেন। কিন্তু জেনারেটর ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেকেই সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন। ৭৬২ দশমিক ৪২ বর্গকিলোমিটার আয়তন ও প্রায় সাড়ে চার লাখ জনগণ অধ্যুষিত এ দ্বীপে মাত্র তিন মেগাওয়াট বিদ্যুত্ দরকার।