তুরস্কের সৌদি দুতাবাসে নিহত সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যার বিচার চাইলেন তার বাগদত্তা হাতিস সেনগিজ। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের শাস্তি বাস্তবায়ন চান।
সোমবার (১ মার্চ) এক বিবৃতিতে হাতিস জানান, যুবরাজের শাস্তি কেবল ন্যায়ের প্রতিষ্ঠাই করবে না। ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে তাও নিশ্চিত করবে।
গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে খাশোগি হত্যায় অভিযুক্ত করার পর হাতিসের বিবৃতিটি প্রকাশিত হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে সৌদি আরব অভিযোগটি সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখান করেছে।
হাতিস জানান, যুবরাজ নির্দোষ নন। তিনি নিরপরাধ একজন মানুষকে নির্মমভাবে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত তাকে শাস্তির আওতায় আনা জরুরি। যুবরাজকে শাস্তি প্রদান করা না হলে, চিরদিনের জন্য আমাদের বিপদের আশঙ্কা থাকবে এবং মন্যুষত্ব কলঙ্কিত হবে।
তুর্কি একাডেমিক গবেষক হাতিস বিশ্ব নেতাদের কাছে আবেদন করেন, তারা যেন যুবরাজের থেকে দূরে থাকেন। একই সাথে, শাস্তিস্বরূপ সৌদি আরবের উপর যেন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়। বাইডেন প্রশাসন থেকে শুরু করে, বিশ্ব নেতৃবৃন্দের এখন চিন্তা করা প্রয়োজন যে, তারা যুবরাজের সাথে হাত মেলাতে প্রস্তুত কি না।
২০১৮ সালের অক্টোবরে তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাশোগিকে হত্যার পর মৃতদেহ নিশ্চিহ্ন করা হয়।
৫৯ বছর বয়সী এই সাংবাদিক একসময় সৌদি সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আত্ম-নির্বাসনে গিয়েও শেষ পর্যন্ত বাঁচতে পারেননি ওয়াশিংটন পোস্টের কলাম লেখক এই সাংবাদিক।
ইত্তেফাক/টিআর