জাতি পুনর্গঠনে জাতীয়তাবাদী শক্তির দৃঢ় অবস্থান নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র নানান কৌশলে ক্ষমতার পালাবদলের রাজনীতিতে তাদের অবস্থান পাকাপোক্ত করে নিয়েছে। এই অপশক্তি প্রতিরোধ ও জনমানুষের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত স্বদেশ গড়ে তুলতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক ধারাকে সমুন্নত রাখতে হলে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক শক্তিসমূহের বৃহত্তর ঐক্যের মধ্য দিয়ে জাতীয় জাগরণ গড়ে তুলতে হবে। গতকাল সোমবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের জাতীয় পতাকা মিছিলের জনসমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। সমাবেশ শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন ও পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. অসিত বরণ রায়ের সভাপতিত্বে ও মহানগর কমিটির সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম ফজলুর সঞ্চালনায় সভায় নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এম আকাশ, সংগঠনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ কে আজাদ, মুক্তিযুদ্ধ সংহতি পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ রব, নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন চুন্নু, মহানগর নেতা জুবায়ের আলম, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি কাজী আব্দুল মোতালেব জুয়েল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সামছি।
সমাবেশ থেকে সাম্প্রদায়িকতাবাদী চক্র ও লুটেরা শ্রেণির বিরুদ্ধে দেশের সব গণতন্ত্রমনা রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র, যুব, তরুণ প্রজন্মসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।