বাংলাদেশ সিরিজে দুর্ভাবনা নেই কিউই কোচের

তিনটি করে ওয়ানডে, টি-২০ ম্যাচ খেলতে এখন নিউজিল্যান্ড সফরে রয়েছে বাংলাদেশ দল। ক্রাইস্টচার্চে কোয়ারেন্টাইনে থাকা তামিম-মুশফিকেরা আজ থেকে জিম ব্যবহারের অনুমতি পেতে পারেন। এদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে হোম সিরিজ নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই নিউজিল্যান্ডের হেড কোচ গ্যারি স্টিডের। আইপিএলে সুযোগ পাওয়া ক্রিকেটারদের আটকাবেন না স্টিড। এই সিরিজ নিয়ে শীষ্যদের চিন্তা করতে বারণ করেছেন কিউই কোচ।

নিউজিল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, জিমি নিশাম, ট্রেন্ট বোল্ট, মিচেল স্যান্টনার, কাইল জেমিসন, লুকি ফার্গুসন, অ্যাডাম মিলনে আইপিএল দলে জায়গা পেয়েছেন। এছাড়া ইশ সোধিও রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে কাজ করবেন।

আইপিএলের কারণে এসব ক্রিকেটারের বেশির ভাগই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে হোম সিরিজটা খেলবেন না। আইপিএল খেলতে, করোনার কোয়ারেন্টাইন নীতির কারণে আগেই দেশ ছাড়তে হবে সবাইকে। তাই ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খেলা হবে না উইলিয়ামসন-বোল্টদের।

শীর্ষ পারফরমাররা না থাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে সুযোগ পেতে পারেন উইকেটরক্ষক ফিন অ্যালেন। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্কোয়াডে থাকা মার্ক চ্যাপমান এবং হ্যামিশ ব্যানেটদেরও বাংলাদেশের বিপক্ষে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন স্টিড। এছাড়া আরো কয়েক জন তরুণকে বাংলাদেশের বিপক্ষে পরখ করে দেখতে পারে কিউইরা।

বাংলাদেশ সিরিজের দল গড়ার বিষয়ে গতকাল ওয়েলিংটনে স্টিড বলেছেন, ‘আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি, শেষ ধাপে আছি। আমরা সবাইকে ছেঁটে ফেলব, মনে হয় না। তবে কয়েক জনকে আমরা যেতে দেব, এ সিরিজ খেলা নিয়ে তাদের চিন্তা করার দরকার নেই।’

তবে স্টিড ইঙ্গিত দিয়েছেন, ডানহাতি পেসার ফার্গুসন এখনই ভারতে যেতে পারছেন না। পিঠের চোট কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল তার। গত বছরের ডিসেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে চোট পেয়ে ৬ সপ্তাহের জন্য ছিটকে গিয়েছিলেন তিনি। ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে তার বিশ্রাম এবং পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া। বাংলাদেশ সিরিজ দিয়ে মাঠে ফিরবেন এই পেসার। ওয়ানডে খেললেও আইপিএলের  কারণে টি-২০ সিরিজে না-ও থাকতে পারেন তিনি।

স্টিড বলেন, ‘এই মুহূর্তে ফার্গুসনকে ওয়ানডে সিরিজে পাওয়ার ব্যাপারে আশা করছি আমরা। সবকিছু ঠিক থাকলে তাকে বাংলাদেশ সিরিজে দেখা যাবে।’

ফার্গুসনের চোট নিয়ে কিউই কোচ বলেছেন, ‘চোট নিয়ে কে কেমন প্রতিক্রিয়া দেবে এটা বলা মুশকিল। তবে ফার্গুসনের সবিধা হচ্ছে সে শক্তিশালী। সে আপাতত ফিট আর সে যদি আরো কষ্ট করে, তাহলে তার দ্রুত সুস্থতা আশা করতেই পারি।’

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে ২০ মার্চ। ডানেডিনে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম ম্যাচ। পরে ২৩ ও ২৬ মার্চ ক্রাইস্টচার্চ, ওয়েলিংটনে হবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে। ২৮ ও ৩০ মার্চ এবং ১ এপ্রিল হ্যামিল্টন, নেপিয়ার, অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে তিনটি টি-২০ ম্যাচ।