প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দুটি গ্রন্থ উপহার দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। এগুলো লিখেছেন তার বাবা প্রয়াত কে. সুব্রমনিয়াম। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে এই তথ্য জানিয়েছেন তিনি। এদিন ঢাকায় বিশেষ সফরে এসে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ড. এস জয়শঙ্কর। গণভবনে বঙ্গবন্ধু কন্যার সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেছেন এই অতিথি।
ড. এস জয়শঙ্কর লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে আমার বাবা প্রয়াত কে. সুব্রমনিয়ামের লেখা দুটি বই উপহার দিয়েছি তাকে। ১৯৭২ সালের গোড়ার দিকে বাংলাদেশ নিয়ে প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে এগুলো অন্যতম। বাংলাদেশের অসাধারণ অগ্রগতি দেখলে বাবা খুশি হতেন।’
Presented her with two books on Bangladesh written by my late father K. Subrahmanyam. These are amongst the first books written on Bangladesh in early 1972. He would’ve been proud to see Bangladesh’s remarkable progress. pic.twitter.com/9nsE8K55sg
— Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar) March 4, 2021
কে. সুব্রমনিয়ামের লেখা একটি গ্রন্থের নাম ‘দ্য লিবারেশন ওয়ার’। এটি মোহাম্মদ আইয়ুবের সঙ্গে যৌথভাবে লিখেছিলেন তিনি। অন্যটির নাম “বাংলাদেশ অ্যান্ড ইন্ডিয়া’স সিকিউরিটি”।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে বাংলাদেশ সফর নিয়ে ছয়টি টুইট করেছেন ড. এস জয়শঙ্কর। আরেক টুইটে আতিথেয়তার জন্য শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তার কথায়, ‘তার বীরত্ব ও নেতৃত্ব আমাদের দুই দেশের সম্পর্ককে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।’
Thank PM Sheikh Hasina for receiving me today. Conveyed warm greetings of PM @narendramodi. Her sagacity and leadership continues to inspire our relationship. pic.twitter.com/O083rJSEWs
— Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar) March 4, 2021
শেখ হাসিনার প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। নিজের টুইটে মোদির টুইটার অ্যাকাউন্ট ট্যাগ করে দিয়েছেন তিনি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর নিশ্চিত করতে বিশেষ সফরে দিল্লি থেকে বিশেষ ফ্লাইটে চড়ে আজ সকাল ১০টায় ঢাকায় আসেন ড. এস জয়শঙ্কর। তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিস্তা নদীর পানিবন্টনের বিষয়ে শিগগিরই দুই দেশের পানিসম্পদ সচিবদের মধ্যে আলোচনা হবে বলে জানান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর বিভিন্ন ইস্যুতে ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর নয়াদিল্লি ফিরে গেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ইত্তেফাক/এমএএম/জেএইচ