ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আনাগোনায় বাড়ছে চুরি!

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইবি (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা

করোনা প্রেক্ষাপটে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ও (ইবি) প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। বন্ধ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পদচারণা কম থাকলেও বাড়ছে বহিরাগতদের আনাগোনা। দিন-রাত যখন ইচ্ছা তখনই ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ছে তারা। সেই সঙ্গে বেড়েছে চুরির ঘটনা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সাদ্দাম হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী নাহিদ নূর তার (২১৭ নম্বর) কক্ষে গিয়ে দেখে তার কক্ষ এবং ভেতরে আলমারি ও ট্রাংকের তালা ভাঙা। সেখান থেকে তার জামা-কাপড়, দুইটি রাইস কুকার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চুরি হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের পাশে রাখা নির্মাণসামগ্রী চুরি করতে এলে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা হিমেল (১৪) নামে এক কিশোরকে আটক করে। এছাড়াও কয়েক মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল হল থেকে সাবমারসিবল পাম্প চুরি এবং বেশ কিছুদিন আগে দুই ভ্যান টাইলস ও আট কার্টন ক্যাবল চুরি হয়। এছাড়া জিয়াউর রহমান হলের ১২০ নম্বর কক্ষের বেলকনির গ্রিল চুরি হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বহিরাগত প্রবেশ বন্ধে আগামী শনিবার থেকে ক্যাম্পাসে মাইকিং করা হবে। যারা কনস্ট্রাকশনে কাজ করে তাদের প্রধান প্রকৌশলীর মাধ্যমে পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করব। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, বিষয়গুলো নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা বসেছি। প্রক্টর মহোদয়কে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।