রাঁধুনি কীর্তিমতী সম্মাননা পেলেন চার নারী

ইত্তেফাক রিপোর্ট

পাহাড় সমান বাধা পেরিয়ে যেসব নারী নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন এবং অন্যের জন্য হয়েছেন অনুপ্রেরণার উত্স। তারাই কীর্তিমতী। যাদের কাজ দিয়ে সমাজে এসেছে পরিবর্তন। গতি পেয়েছে নারীর পথ চলা । তারাই গুণী । এমন চার নারীকে দেওয়া হলো ‘রাঁধুনি কীর্তিমতী সম্মাননা ২০২০’।

গতকাল শনিবার গুলশানের একটি হোটেলে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এই সম্মননা তুলে দেওয়া হয়। এ বছর সাংবাদিকতায় দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক শেখ সাবিহা আলম, হিতৈষী হিসেবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইলমার স্বত্বাধিকারী চট্টগ্রামের জেসমিন সুলতানা পারু, উদ্যোক্তা খুলনার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রধান আইনজীবী শামীমা সুলতানা শিলু ও ক্রীড়ায় দৌড়বিদ ময়মনসিংহের ফিরোজা খাতুন সম্মাননা পান। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে তাদের সম্মাননা ক্রেস্ট ও ১ লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়। স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ব্র্যান্ড ‘রাঁধুনি’ গত একযুগেরও বেশি সময় ধরে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বিজনেস ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড স্ট্রেটেজি ডিভিশনের প্রধান আনিকা চৌধুরী, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কিশোর কুমার দাস, আইসিডিআরবির চিকিত্সক ও টিভি সংবাদ পাঠক ডা. এন কে নাতাশা ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

বক্তরা বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধসহ সব অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নারীর অবদান রয়েছে। নারীর জায়গাটুকু নারীকেই অর্জন করে নিতে হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় নারীর অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখনো অনেক নারী পিছিয়ে আছেন। তাই সমতা রক্ষায় বৈষম্য দূরীকরণে কাজ করতে হবে।

ডা. এন কে নাতাশা জানান, কষ্টকে শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। নারীদের দুবর্ল হলে চলবে না। অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শেখ সাবিহা আলম বলেন, দেশের মায়েরা ভালো থাকুক। সব নারী এগিয়ে যাক। যারা পথে প্রান্তরে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই করে, তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে জেসমিন সুলতানা পারু বলেন, নারীদের মানুষ মনে করতে হবে। তার এগিয়ে চলার পথটাকে মসৃণ করে তুলতে হবে।

শামীমা সুলতানা শিলু বলেন, স্বপ্ন যেমন তার ছিল, ঠিক তেমনি অন্যদেরও স্বপ্ন দেখান স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য। অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন নাদিয়া আহমেদ ও তার দল। অনুষ্ঠান শেষ হয় জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তাহসান খানের গান দিয়ে।