জয়পুরহাটে ১১ বিঘা জমিতে পপি চাষ
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
রবিবার বেলা ১১টায় সদরের বনখুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১১ বিঘা জমিতে চাষ হওয়া বিপুল পরিমাণ আফিম তৈরির মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহূত পপি গাছ ও পপির ফল উদ্ধার এবং আফিম উত্পাদনকারী হিসেবে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা।
র্যাব-৫, জয়পুরহাট ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মোহাইমেনুর রশিদ জানান, আটক আফিম উত্পাদনকারী পাঁচ জন হচ্ছেন, সদর উপজেলার বনখুর গ্রামের বিপুল চন্দ্র দাসের ছেলে রাজেন্দ্রনাথ দাস (৬০), রূপচাঁন মন্ডলের ছেলে নইমুদ্দিন মন্ডল (৬০), বড়তাজপুর গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে গোলাম মোস্তফা (৬৫), পাঁচবিবি উপজেলার পূর্ব বালিঘাটা গ্রামের আব্দুল রউফ ওরফে রবের ছেলে রিপন সর্দার (৩৭) ও বালিঘাটা বাজারের কুমুন্ড বিহারী দাসের ছেলে নেপাল চন্দ্র দাস (৫২)। জেলা জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব সদস্যরা সদর উপজেলার পুরানাপৈল ইউনিয়নের বনখুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। ঐ এলাকায় অবৈধভাবে প্রায় ১১ বিঘা জমিতে চাষ করা বিপুল পরিমাণ আফিম উত্পাদনের কাজে ব্যবহূত ৪ লাখ ২৩ হাজার ৫০০টি পপি গাছ ও ১৬ লাখ ৯৪ হাজার পিস পপির ফল জব্দ করা হয়।
আফিম উত্পাদনকারী কৃষকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাবকে জানান, আফিস জাতীয় নেশার আবাদ পপি চাষ শুরু হয় তিন বছর আগে। একটু জমিতে আফিম চাষ করলে অধিক লাভ হচ্ছে। এ অবস্থায় বনখুর গ্রামের কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হয় এবং বিভিন্ন ফসলের পাশাপাশি আফিমের চাষ করে আসছিল স্থানীয় কৃষকরা। অভিযুক্ত কৃষকরা জানান, এটি মাদক হিসেবে ব্যবহার হয় বিষয়টি তাদের জানা ছিল না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে উদ্ধার করা বিপুল পরিমাণ পপি গাছ এবং ফল ধ্বংস করা হয় বলে জানান, র্যাব-৫, জয়পুরহাট ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মোহাইমেনুর রশিদ। এ ব্যাপারে জয়পুরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।