লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীরপ্রতীক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষণের নেপথ্যে রয়েছে এক সংগ্রামী ও ঐতিহাসিক পটভূমি। সম্পূর্ণ প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু সেদিন বাঙালিকে সম্মুখসমর ও গেরিলাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেছেন। তিনি বলেন, এই ভাষণ স্বাধীনতা অর্জনের উপায় এবং স্বাধীনতা সংহতকরণের নিদের্শনাও বটে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মধ্য দিয়ে প্রাপ্ত নির্দেশে রক্তাক্ত জনযুদ্ধের মধ্য দিয়ে একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের নাম ৭ই মার্চ।
গতকাল ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে বাংলা একাডেমি আয়োজিত একক বক্তৃতানুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ : পটভূমি ও তাত্পর্য’ শীর্ষক একক বক্তৃতা প্রদান করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীরপ্রতীক। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য আরমা দত্ত এবং কথাসাহিত্যিক ঝর্ণা রহমান।
শামসুজ্জামান খান বলেন, ৭ই মার্চের মতো এমন দিন কোনো জাতির জীবনে সচরাচর আসে না। এ বছর মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মতো আমরা এই ভাষণেরও সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করছি—এ আমাদের পরম অহংকার ও গৌরবের বিষয়। হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, এই মহান ভাষণ কেবল মানবিক আবেদনের জন্য নয়, শৈল্পিক কারণেও উল্লেখযোগ্য।