ঢাবির সার্ভারে সমস্যা, বিড়ম্বনায় ভর্তির আবেদনকারীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান (স্নাতক) প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হয়েছে সোমবার (৮ মার্চ) বিকেল ৫টা থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আবেদন প্রক্রিয়ার উদ্বোধন করেন। আবেদন শুরুর পর সন্ধ্যা ৭টা থেকে সমস্যা শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে। আবেদনকারীদের আবেদন জমা না দেয়া, সার্ভারে ঢুকতে না পারা, লগ ইন না হওয়াসহ নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে সাইটে।

ভর্তিচ্ছুরা জানান, সোমবার সন্ধ্যা থেকে সার্ভারে কাজ করছিলো না। রাতে সার্ভারে একেবারেই ঢোকা যায়নি। ভর্তি অফিস থেকে অফিস থেকে বলা হয়েছিলো, সকালে ঠিক হয়ে যাবে। সকালেও একই ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস থেকে জানা যায়, সোমবার থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের সমস্যার কথা জানাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের প্রধান সমস্যাগুলো হচ্ছে, পে-ইন স্লিপে ছবি না দেখতে পাওয়া, লগ ইন না হওয়া, জেলা-উপজেলার নাম এন্ট্রি না হওয়া, বিল পে করে দেয়ার পর ইনভ্যালিড দেখানো ইত্যাদি। এছাড়াও কখনো কখনো তারা সাইটে ঢুকতে পারছে না বলেও অভিযোগ করছে। একদিনে বড় ধরণের অভিযোগ জমা হয়েছে পঞ্চাশ এরও বেশী। তবে ছোট খাট সমস্যার ছিলো অগণিত।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আবেদন শুরুর পর সবাই তাড়াহুড়া করার কারণে এ সমস্যার তৈরি হয়েছে। দুই একদিনের মধ্যে এটির সমাধান হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, গতকাল থেকে ট্রিমেন্ডাস একটা চাপ আমাদের উপর এসেছিলো। যেটা আমাদের চিন্তার বাইরে ছিলো। আজকে সকালেও এ সমস্যা তৈরি হয়। আমরা আশা করছি, আগামীকালকের মধ্যে এর সমাধান হয়ে যাবে।

অধ্যাপক মোস্তাফিজ জানান, গতকাল থেকে ১শতেরও বেশি মেগা ব্যান্ডিউইথের চাহিদা ছিলো। যেটা অন্য সময় সাধারণত অনেক কম থাকে। এটা শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের না, গতকাল অনেকগুলো সাইটে ইন্টারনেটের কিছুটা অসুবিধা হয়েছিলো। এজন্য ওই চাপটা এসে আমাদের উপরও পড়ে। আমরা দশ বছর যাবত ভর্তি পরীক্ষার কার্যক্রম হ্যান্ডেল করছি। অন্যান্যবার এক থেকে দুই ঘণ্টার জন্য প্রেশার থাকে। কিন্তু এবারের প্রেশাররা অন্য সবসময়কে ছাপিয়ে গেছে।

শিক্ষার্থীদের অভয় দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের হাতে একুশ দিন সময় আছে, কোনো সমস্যা নেই। আস্তে ধীরে আবেদন করলেও কোনো সমস্যা নেই। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত সময় আছে। যদি প্রয়োজন হয় আমরা আবেদনের সময় এক্সটেন্ড করে দিবো। এখানে অস্থির হওয়ার মতো কোন পরিস্থিতি নেই। 
ইত্তেফাক/এমএএম