কোম্পানীগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ, গুলি ওসিসহ আহত ১০

নোয়াখালীর কোম্পানীঞ্জে গতকাল সন্ধ্যায় ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার খিজির হায়াতের ওপর হামলার প্রতিবাদে গতকাল বসুরহাট রূপালী চত্বরে প্রতিবাদ সভা চলাকালে কে বা কারা ধরধর বলে উত্তেজনা সৃষ্টি করলে প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে একরামুল করিম চৌধুরীর সমর্থিত লোকজন ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় গুলির ঘটনাও ঘটে। পরে ওবায়দুল কাদের ও জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে বঙ্গবন্ধু চত্বরে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্যাপন পরিষদ মেলায় হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটায়। হামলার ঘটনায় থানার ওসিসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন—কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি, এসআই মিজান, এসআই জাকির, আবুল কালাম, আলাউদ্দিন। হামলার সময় হট্টগোল শুরু হলে মুহূর্তের মধ্যে বসুরহাট বাজারের দোকান ও যানবাহন বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। র্যাব, ডিবি পুলিশ, দাঙ্গা পুলিশ পুরো এলাকায় টহল দিচ্ছে। এদিকে হামলার সময় বিক্ষুব্ধ সন্ত্রাসীরা বসুরহাট রূপালী চত্বরের পাশে আলেয়া ম্যানশনের ৩য় তলায় বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ব্যক্তিগত অফিসে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছবি, অফিসে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে যায়।

হামলাকারীরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ বার্ষিকী উদ্যাপন পরিষদ মেলার ওপর হামলা ও লুটপাট করে দোকানদারদের মালামাল, টাকা-পয়সা নিয়ে যায়। বসুরহাট বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নারী-পুরুষ এদিক ওদিক ছোটাছুটি শুরু করে। অনেকে বসুরহাট বাজারে বিভিন্ন মার্কেটে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ ঘটনায় রাতেই বসুরহাট বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি জাহেদুল হক রনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। হামলার পরে পরিস্থিতি সামলাতে ছয় পুলিশসহ ১০ জন আহত হয়েছে।