বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চিকিত্সার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়া শুধু সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর নয়, নির্ভর করছে তার সদিচ্ছার ওপরও। চিকিত্সকের পরামর্শ অনুসারে এবং তার ওপর যে শর্তারোপ আছে সেটি তুলে নিলে এবং খালেদ জিয়া যদি চিন্তা করেন যাবেন, তাহলে যেতে পারবেন আশা করি।
গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিদেশে চিকিত্সা নেওয়ার ব্যাপারে নানা সমীকরণ থাকলেও সব বিষয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বেগম জিয়া নিজেই। খালেদা জিয়ার সঙ্গে পরামর্শ করে বিদেশে উন্নত চিকিত্সার জন্য নিতে আমরা চেষ্টা করব। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। তার ব্যথা বেড়েছে। যেখানে চিকিত্সা করাতে চাই সেখানকার পরিবেশও কোভিডের কারণে অনুকূল নয়। সবার আগে তার নিঃশর্ত মুক্তি চায় বিএনপি।’
এদিকে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেগম জিয়ার সাজা স্থগিত করে শর্তসাপেক্ষে মুক্তির মেয়াদ তৃতীয় দফায় ছয় মাস বাড়ানোর সুপারিশ করেছে আইন মন্ত্রণালয়। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দেশের ভেতরে থেকে যে কোনো জায়গায় চিকিত্সা নিতে পারবেন বেগম জিয়া। বিদেশে গিয়ে চিকিত্সা গ্রহণের আবেদন অথবা দণ্ড স্থায়ীভাবে মওকুফের আবেদন বিবেচনা করা হয়নি।