খিলগাঁওয়ে বনশ্রী অফিসার্স সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সমিতির ব্যানারে ১০৫ জন সদস্য ৪১ শতাংশ জমি কিনে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করছেন। কিন্তু একটি মহল ঐ জমির মালিকানা দাবি করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। পাশাপাশি একজন পুলিশ অফিসারকে জড়িয়েও মিথ্যা প্রচারণায় লিপ্ত হয়েছে চক্রটি। গতকাল বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বনশ্রী অফিসার্স সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ এসব অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জমির মালিক নবী হোসেন।
নবী হোসেন বলেন, এক পুলিশ কর্মকর্তা ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তার নিজের ভাগের ০.৩৪ শতাংশ জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। বর্তমানে এখানে তার কোনো জমি নেই। তার বিরুদ্ধে এক ব্যক্তি অপপ্রচার ছড়িয়ে সমিতির সদস্যদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা চালিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে নবী হোসেনের নামের জমি আরএস রেকর্ড ও সিটি জরিপে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ নিয়ে তিনি ডেমরা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আদালতে বিবিধ মামলা করে রায় নিয়ে খাজনা পরিশোধ করে আসছেন। একপর্যায়ে তিনি বনশ্রী সমবায় সমিতির কাছে সাফ কবলা দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে বিক্রি করেন। কিন্তু একটি চক্র এই জমি তাদের দাবি করে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তিনি এ জমি নিয়ে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পুলিশের আইজি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সুদৃষ্টি কামনা করেন।