দৌলতদিয়া ঘাটে প্রতিপক্ষের হামলায় পৌর মেয়রের ভাইসহ আহত ৮, গ্রেফতার ১

আধিপত্য বিস্তারের জের!

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) সংবাদদাতা 

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিপক্ষের হামলায় গোয়ালন্দ পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র নজরুল মণ্ডলের ভাই উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মণ্ডলসহ আট জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত  মোস্তফা মণ্ডল ও রফিক সরদারকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় শুক্রবার ভোরে পুলিশ বাকেন শেখ (৩৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে।  এই হামলার ঘটনার পর শুক্রবার বিকালে দৌলতদিয়া ঘাটে ও দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে প্রতিবাদ সভা হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তফা মুন্সীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব ঘোষের সঞ্চালনায় দলীয় নেতৃবৃন্দ হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে চিকিত্সাধীন আফজাল হোসেন জানান, দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ির সামনে মোস্তফা মণ্ডলের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ৮-৯ জন আড্ডা দিচ্ছিলাম। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় বাকেন শেখ, আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন লাঠি-সোটা নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।

খবর ছড়িয়ে পড়লে আহতদের অনুসারীরা দৌলতদিয়া ঘাট মহাসড়কে বিক্ষোভ করে বাকেন ও আমজাদকে গ্রেফতারের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। খবর পেয়ে গোয়ালন্দঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। দৌলতদিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার সারা দিন আমি দৌলতদিয়া ঘাটেই ছিলাম না। তাহলে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকলাম কীভাবে? আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, এমন ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমি হতভম্ব হয়ে পড়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, এ ঘটনার ব্যাপারে থানায় অভিযোগ এসেছে। শুক্রবার ভোরে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে অভিযুক্ত বাকেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে পুলিশ।