কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাদলকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১টার দিকে বাদলকে নোয়াখালীর মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে তোলা হয়। বাদলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক শোয়েব উদ্দিন খান। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় জামিনের আবেদন নাকচ হয়। নোয়াখালী ডিবির ওসি হোসাইন আহম্মদ জানান, দুটি নাশকতাসহ মোট চারটি মামলায় মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে বাদল গ্রুপের গ্রেফতারকৃত ২৮ জনকে পুলিশি রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। এদিকে গতকাল শুক্রবার মো. একরামুল হক, মো. লিপু, মো. আব্দুল মালেক, মো. টিটন ও ইকবাল চৌধুরী নামে আরো পাঁচ জনকে নোয়াখালী ডিবি পুলিশ বসুরহাট বাজারের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করে বলে তাদের স্বজনরা দাবি করেছে। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা ও বিস্ফোরণের মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।
গতকাল সকালে পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা পৌর ভবনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় আহত বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রাজীব ও আনোয়ার, চরহাজারী ১ নম্বর ওয়ার্ডে আলা উদ্দিন, চরকাঁকড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঈন উদ্দিনকে তাদের বাড়িতে দেখতে যান এবং তাদের আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।
ফেসবুক লাইভে মির্জা
বৃহস্পতিবার রাতেও ফেসবুক লাইভে এসে আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরুদণ্ডহীন প্রাণী। তাকে দিয়ে সঠিক তদন্ত হবে না। তাই আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বা চাঁদপুরের সুজিত রায় নন্দীকে দিয়ে তদন্ত কমিটি করা হোক। এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা বা ঢাকা থেকে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটিও চাইলে করতে পারে সরকার। এতে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে। নোয়াখালীর সবাই তাদের দ্বারা প্রভাবিত। ফলে তারা সঠিক তদন্ত করতে পারবে না।’