কণ্ঠশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা। নিজের প্রথম একক অ্যালবাম ‘জ্যামিতিক ভালোবাসা’ শিরোনামে গানটির মাধ্যমে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। এরপর উপহার দিয়েছেন বহু শ্রেতাপ্রিয় গান।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় ইত্তেফাক অনলাইনের নিয়মিত আয়োজন ‘টুনাইট শো লাইভ’-এ আসেন এই কণ্ঠশিল্পী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইত্তেফাক অনলাইন ইনচার্জ জনি হক।
এসময় কনা বলেন, ‘আমার ইদানিং আলাদা একটা ভালোলাগা কাজ করছে সেটা হলো- নাটকে গান গাওয়ার বড় একটা ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এখানে নতুন করে একটা সেশন হচ্ছে। এখানে শিল্পীরা গান রেকর্ড করতে পাচ্ছেন। অ্যালবাম বন্ধ হওয়ার পর থেকে ওই ক্ষেত্রটার পরিবর্তন এসেছে। নাটকের গান হওয়াটা আমাদের সবার জন্য ভালো।’
গানের বিষয়ে কনা বলেন, ‘আগের উৎসবগুলো অ্যালবাম বের হওয়ার আনন্দটা মিস করি কিন্তু এখন যে টেকনোলজি আছে সেটা ইনজয় করি। আগে আমরা কখনো ভাবতাম না যে আমরা পেজে বসে আলাপ করবো সেটা মানুষ ঘরে বসে বসে দেখবে। এখন টেকনোলজি এসেছে, এটা গ্রহণ করে এটার মাঝে আনন্দ খুঁজে নিতে হবে। আমি একজন শিল্পী। গান গাওয়াটাই হলো আমার কাজ। সেটা হতে পারে সিনেমা, হতে পারে, ইউটিউব আবার হতে পারে সাটা সিংগেলি।’
৭ শিল্পীর কণ্ঠে নারী দিবস উপলক্ষে ‘শোনো পৃথিবী শোনো’ শিরোনামে একটি গান এসেছে। ৭ শিল্পীর মধ্যে কনাও ছিলেন একজন। এই গানটি সম্পর্কে কনা বলেন, ‘আলম আরা মিনু এই গানটির সুর করেছেন। সেই সময় আমার ফ্যামিলির অনুষ্ঠান নিয়ে আমি অনেক ব্যস্ত ছিলাম। পরপরও মিনু আপা গানটির সুর করেছেন বলেই আমি গানটি করতে রাজি হয়ে গেছি। গানের কথা, সুর এবং ভিডিও অনেক সুন্দর হয়েছে। আশা করি গানটি সবার ভালো লাগবে।’
কনার কথায়, ‘গান লেখা এবং সুর করাটা আসলে ঐশ্বরিক একটা বিষয়। সবাই গান বানাতে পারে না। গান লেখা এবং সুর করা ভেতর থেকে না আসলে হয় না।’
হাসির ছলে কনা বলেন, ‘ইরাজের সাথে একটা গান আছে ‘জাস্ট ওয়ান ক্লিক’। একটিন আগে ইরাজ আমাকে বললো এইটা আমার সুর। ওইটা বাংলা করে তুমি গানটি লিখে ফেলো। তখন আমি বাংলাটা লিখে গানটি করেছি। ওই গানের মধ্যে যে বাংলা কথা আছে সেগুলো আমার লেখা।’
কনার ভাষ্য, ‘করোনার ভীতি মানুষের মাঝে থেকে কিছুটা চলে গেছে। আর সবার মাঝে মাস্ক পড়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে। এর মধ্যে কয়েকটি শো করেছি। এই মাসে কয়েকটি শো করার কথা আছে।’
কনা জানান, ‘ফিল্মের বাইরেও ইমরান আর আমার অনেক হিট আছে। এর আগে লিপসিং টাইপের ভিডিও ছিলো। কিন্তু আমাদের একসাথে অ্যাপেয়ারিং করা কোন ভিডিও ছিলো না। এইবার চিন্তা ছিলো একটু অন্যরকম কিছু করা। সামনে আরও ভালো কিছু করার চিন্তা আছে।’
ইত্তেফাক/বিএএফ