মূলত অ্যাসিটিক অ্যাসিড ও পানির দ্রবণ। প্রধানত রান্নায় ব্যবহার হয়। তবে ভিনেগারের বহুবিধ ব্যবহার লক্ষণীয়। হাজার বছর আগে থেকেই প্রচলিত। বিভিন্ন ধরনের ভিনেগার পাওয়া যায়—আপেল সিডার ভিনেগার, হোয়াইট ভিনেগার, ব্ল্যাক ভিনেগার, রাইস ভিনেগার, ফ্রুট ভিনেগার প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। ভিনেগার মৃদু অম্ল স্বাদের। সালাদ তৈরিতে, আচার ও বিভিন্ন খাদ্য সংরক্ষণে আমাদের দেশে ভিনেগার বা সিরকার বেশ ব্যবহার রয়েছে। তাছাড়া খাবারের স্বাদ বাড়াতেও ব্যবহার করা হয়।
ভিনেগার ঔষধিগুণসম্পন্ন। সংক্রমণ রোধে এর ব্যবহার সুদূর অতীতকাল থেকেই। ঠান্ডায়-জ্বরে, ক্ষত এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে হিপোক্রেটিস ভিনেগার ব্যবহারের পরামর্শ দিতেন। জীবাণু রোধে প্রাচীন মিশরীয়রা ভিনেগার ব্যবহার করত। ভিনেগার ছত্রাকনাশক। প্রাচীন মুসলিম চিকিত্সক আভেসিনা ত্বকের প্রদাহে, হজমশক্তি বাড়াতে ভিনেগার ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন।
আধুনিক চিকিত্সাবিজ্ঞানে ভিনেগারের ব্যবহার নিয়ে গবেষণা চলছে। শুধু রান্না বা রোগ প্রতিরোধে নয়, ক্লিনিং এজেন্ট হিসেবে ভিনেগার চমত্কার। নিত্যব্যবহার্য বাসন-কোসন ঝকঝকে পরিষ্কার রাখতে ভিনেগার কার্যকর। কার্পেট, পর্দা পরিষ্কার করতেও এর ব্যবহার আছে। ২০ শতাংশ অ্যাসিটিক অ্যাসিড ভিনেগার আগাছানাশক হিসেবে কার্যকর।
কায়েদ-উয-জামান