কৃষিতে দেশ আগের তুলনায় অনেক উন্নতি করেছে। তার অন্যতম কারণ গভীর নলকূপ বা ডিপ। ডিপের জন্য সারা বছর এখন ফসল উত্পাদন করতে পারেন কৃষকরা। ডিপের ক্ষেত্রে লোডশেডিংয়ের চেয়েও মারাত্মক হলো লো ভোল্টেজ। লো ভোল্টেজের কারণে ডিপের মোটর পুড়ে যায়, ক্যাপাসিটর পুড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা হয়ে থাকে। মোটর মেরামত করে আবার ডিপ চালু হতে সময় লাগে দুই থেকে তিন দিন। ফলে পানির জন্য ভোগান্তির শিকার হতে হয় কৃষকদের। মোটর উত্তোলন, মেরামত সবকিছু মিলিয়ে খরচ হয় প্রায় ১০,০০০ টাকা। মিটার বা ক্যাপাসিটর পুড়ে গেলে মেরামত করতে হয়। ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হন ডিপ মালিকরা। কিছু সময়ের জন্য লোডশেডিং হলে কৃষকেরা যে ভোগান্তির শিকার হন, তার চেয়ে অনেক বেশি ভোগান্তি হয় লো ভোল্টেজের জন্য। তাই লো ভোল্টেজ রোধে বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
মো. আরিফুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, ফার্মেসি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়