মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের রজতজয়ন্তীতে মার্চ জুড়ে নানা আয়োজন

ইত্তেফাক রিপোর্ট

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আগামী ২২ মার্চ নিজেদের পথচলার রজতজয়ন্তী পূর্ণ করবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এ দুই উপলক্ষ্যকে সামনে রেখে বর্ণিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের রজতজয়ন্তীর বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্যে আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও সদস্যসচিব সারা যাকের।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ১৪ মার্চ থেকে শুরু হবে ‘মুক্তির জয়গান’ শীর্ষক  তিন দিনের সংগীত উত্সব। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলার লক্ষ্যে  অনুষ্ঠিত এ সংগীতায়োজনে অংশ নেবে দেশের প্রতিষ্ঠিত ১৫টি ব্যান্ড দল।  ১৪ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন রাত ৯টায় জাদুঘরের ফেসবুক পেজ (https://www.facebook.com/ liberationwarmuseum.official) সরাসরি উপভোগ করা যাবে এ আয়োজন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিদ্যালয়ের শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে আগামী ১৭ মার্চ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ‘ মুজিববর্ষ’ শীর্ষক আনন্দ আয়োজন।

২২ মার্চ সন্ধ্যায় একই সঙ্গে জাদুঘর মিলনায়তনে ও ভার্চুয়াল মিডিয়ায় থাকবে আয়োজন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্মারক বক্তব্য প্রদান করবেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইতিহাসবিদ দীপেশ চক্রবর্তী। সাংস্কৃতিক পর্বে শুক্লা সরকারের পরিচালনায় নৃত্য পরিবেশন করবে ধ্রুপদ কলাকেন্দ্র এবং সংগীত পরিবেশন করবেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। কালরাত্রি স্মরণে ২৫ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় প্রদীপ প্রজ্জালন করা হবে। জাদুঘরের শিখা চিরঅম্লানকে ঘিরে জাদুঘরের কর্মী, সুহূদ ও শহিদ পরিবারের সদস্যরা মোমবাতি প্রজ্জালনের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। ২৫ ও ২৬  শে মার্চ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিচালিত মিরপুর ১০ নম্বর সেক্টরের ঝুটপট্টিতে অবস্থিত একাত্তরের গণহত্যার জ্বলন্ত সাক্ষী জল্লাদখানা স্মৃতিপীঠে অনুষ্ঠিত হবে দুই দিনব্যাপী স্বাধীনতা উত্সব ও গণহত্যা দিবস।