ইত্তেফাক রিপোর্ট
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, মশক নিয়ন্ত্রণে সামগ্রিকভাবে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ আছে দেখেই মশার উপদ্রব বেড়েছে। আমাদের মনিটরিংয়ের যথেষ্ট ঘাটতি আছে। আমাদের এখনো সনাতনী পদ্ধতিতে এই মনিটরিং হচ্ছে। আমাদের কাউন্সিলর যারা আছে তাদেরকে দায়িত্ব নিতে হবে। সনাতনী পদ্ধতিতে মনিটরিং করলে চলবে না। সিটি করপোরেশনের মশক কর্মী, মশক সুপারভাইজার, যারা দেখাশোনা করে তাদেরও ঘাটতি আছে। গতকাল শনিবার ডিএনসিসির ভাটারা ও সাতারকুল অঞ্চলে (অঞ্চল ৯ ও ১০) চলমান সমন্বিত মশক নিধন অভিযান পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন। মেয়র বলেন, আমরা বুঝতে পেরেছি মশক নিধন অভিযানটিকে আধুনিকায়ন করতে হবে। জনসাধারণকে আমাদের সচেতন করতে হবে। সচেতনতার অনেক ঘাটতি আছে। এছাড়া আমরা কীটতত্ত্ববিদদের সঙ্গে আলোচনা করছি নতুন ভাবে ওষুধ প্রয়োগ করার। আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মশার অভিযান করা হবে।
তিনি আরো বলেন, কাউন্সিলর নিজেরা মনিটরিং করবে। আমাদের কর্মীরা ঠিকমতো কাজ করছে কি না। কাউন্সিলরদের তালিকা করতে হবে কোথায় কোথায় ডোবা আছে। আমি একটি জিনিস দেখে অবাক হয়ে গেছি যে, কাউন্সিলরের কার্যালয়ের পেছনেই ডোবা। তাকে বললাম, ডোবার মধ্যে কেন যাওয়া হয়নি। কাউন্সিলরদের বলব, নিজ নিজ এলাকা ম্যাপিং করার জন্য। ডোবার বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে। পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়েদুর রহমান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ঢালী, মো. শফিকুল ইসলাম, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর নিলুফার ইয়াসমিন ইতি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।