দরকার রোড ডিভাইডার ও স্পিডব্রেকার

সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের ‘সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২০’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ বেড়েছে। প্রাণহানি বেড়েছে চার দশমিক ২২ শতাংশ এবং আহতের হার বেড়েছে তিন দশমিক ৮৮ শতাংশ। সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বলা হয়েছে—ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণ ও যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালনা, জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ-র সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।

অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে হলে দরকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্পিড ব্রেকার ও রোড ডিভাইডার। নামি দামি পরিবহনগুলোর চালকেরা রাস্তায় প্রতিযোগিতার মতো অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালান, যা কি না রাস্তার অন্য প্রান্ত থেকে আসা গাড়িগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। রাস্তার মাঝে মাঝে স্পিড ব্রেকার থাকলে চালকেরা তাদের গাড়ির গতি অন্তত নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। রোড ডিভাইডার করলে শুধু দুর্ঘটনাই কমবে না, সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় জ্যামও কমে যাবে। তাই সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে হলে অবশ্যই রোড ডিভাইডার ও স্পিড ব্রেকার প্রয়োজন। এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

প্রসেনজিত্ কুমার রহিত

শিক্ষার্থী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা কলেজ