পি কে হালদারের সহযোগী অবন্তিকাকে দ্বিতীয় দফা রিমান্ডে নিয়েছে দুদক

রিলায়েন্স ফাইন্যান্স ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের এক মামলায় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বান্ধবী অবন্তিকা বড়ালকে আবারও রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রবিবার তিন দিনের রিমান্ডের প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে দুুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত দুদকের উপ-পরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

দুদক সূত্র জানায়, গত ১৩ জানুয়ারি ধানমন্ডির ১০ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা ও উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টিম অবন্তীকাকে গ্রেফতার করে। তাকে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর গত ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত অবন্তিকাকে প্রথম দফায় তিন দিন রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে হাজির করে আরেক দফা রিমান্ড আবেদন করে দুদক। ঐ আবেদনে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

দুদক সূত্র আরো জানায়, ২০১৯ সালে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তা বিদেশে পাচারের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার তদন্তে অবন্তিকা বড়ালের সম্পৃক্ততা পায় কমিশন। দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, পি কে হালদার সুখাদা লিমিটেড নামের একটি কোম্পানিতে অবন্তিকা বড়াল, প্রীতিষ কুমার হালদার এবং সুসমিতা সাহার নামে ৩০ লাখ টাকা বিনিয়োগ রয়েছে, যা আসলে পি কে হালদারের টাকা বলে দুদকের ধারণা। এছাড়া অবন্তিকাকে পি কে হালদার ধানমন্ডিতে ৩ কোটি টাকার একটি বাড়ি ও দুটি গাড়ি কিনে দিয়েছেন। এছাড়াও অবন্তিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যাংকে অর্থ লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে দুদক।